ইবি প্রতিনিধি:
বিরল টাকায়াসু আর্টারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোছা. ফাতেমাতুজ্জোহুরা। রোগ শনাক্ত হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও অর্থের অভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারেননি তিনি। বর্তমানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এ চিকিৎসায় প্রয়োজন প্রায় ৩০ লাখ টাকা। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে এই বিপুল অর্থ জোগাড় করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি।
জানা যায়, মাত্র আট বছর বয়স থেকেই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন ফাতেমাতুজ্জোহুরা। কুষ্টিয়া ও রাজশাহীর বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিলেও দীর্ঘদিন তার রোগ শনাক্ত হয়নি। পরে ২০২০ সালে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেনে চিকিৎসা নিতে গেলে তার টাকায়াসু আর্টারাইটিস রোগ শনাক্ত হয়। তবে রোগ শনাক্ত হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আর চিকিৎসা নিতে পারেননি তিনি।
রোগটির কারণে শরীরের প্রধান রক্তনালীগুলো ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কিডনিতে রক্ত সরবরাহকারী রেনাল আর্টারি উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এতে কিডনিসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। শারীরিক অবস্থার উন্নতির জন্য ভারতে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও অর্থের অভাবে তা শুরু করতে পারছেন না তিনি।
ফাতেমাতুজ্জোহুরা বলেন, “আজ আপনাদের কাছে বেঁচে থাকার আকুতি নিয়ে এসেছি। আমি জানি আপনাদের প্রত্যেকেরই নিজস্ব সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবুও আপনাদের সামান্য সহযোগিতাও আমার চিকিৎসার পথে অনেক বড় সহায়তা হয়ে উঠতে পারে। আমি এখনও পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি। স্বপ্ন দেখি, পড়াশোনা শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়াব এবং পরিবারের পাশে দাঁড়াব। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ করতে হলে আজ আমাকে সুস্থ থাকার জন্য লড়াই করতে হবে। আপনাদের সামান্য সহযোগিতা হয়তো আমার চিকিৎসার জন্য এক বড় আশার আলো হয়ে উঠবে।”
চিকিৎসায় সহায়তা পাঠানোর জন্য :
বিকাশ/নগদ : ০১৭৪৫৭৪৫৬২৫ (পার্সোনাল)
অথবা,
ব্যাংক হিসাব : ৩০১৭১০১০৩৩০১৪
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
কুষ্টিয়া করপোরেট শাখা (৩০১৭১), কুষ্টিয়া
/কানিজ/সৈকত

