etcnews
ঢাকাSunday , 17 May 2026
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি
box ad 6
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডিআইইউ শিক্ষার্থীর যুক্তরাজ্যের অ্যাস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তিসহ উচ্চশিক্ষার সুযোগ

etcnews
May 17, 2026 11:00 am
Link Copied!

ডিআইইউ প্রতিনিধি:

স্বপ্ন, পরিশ্রম ও একাডেমিক ধারাবাহিকতার সমন্বয়ে নতুন এক সাফল্যের গল্প গড়েছেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) এক শিক্ষার্থী। যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য ‘অ্যাস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে’ উচ্চশিক্ষার সুযোগের পাশাপাশি তিনি অর্জন করেছেন ৮ হাজার পাউন্ডের বৃত্তি। প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এই অর্জনকে তার একাডেমিক দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী ও লক্ষ্যনির্ভর। ইউনাইটেড ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে মাধ্যমিক সম্পন্ন করে অর্জন করেন জিপিএ ৪ দশমিক ৯৪। এরপর মাদারীপুর সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে জিপিএ ৫ পেয়ে একাডেমিক ধারাবাহিকতা আরও শক্তিশালী করেন।

উচ্চ মাধ্যমিকের পর তিনি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পুরকৌশল বিভাগে ভর্তি হন। চার বছরব্যাপী স্নাতক অধ্যয়ন শেষে সিজিপিএ ৩ দশমিক ৪০ অর্জন করে সফলভাবে স্নাতক সম্পন্ন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি শুধু পাঠ্যভিত্তিক জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না; বাস্তবভিত্তিক প্রকৌশল ধারণা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও দলগত কাজের অভিজ্ঞতাও অর্জন করেন।

স্নাতক সম্পন্নের পর উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে আবেদন করেন তিনি। প্রয়োজনীয় সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করে
অ্যাস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর কর্মসূচিতে ভর্তির সুযোগ পান এবং অর্জন করেন ৮ হাজার পাউন্ডের বৃত্তি।

নিজের এই সাফল্যের পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তার মতে, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও পুরকৌশলে ধারাবাহিক ভালো ফলাফল তার একাডেমিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। পাশাপাশি কেন তিনি প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে চান এবং ভবিষ্যতে নিজেকে কোথায় দেখতে চান এসব বিষয় আবেদনপত্রে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিলেন।

তিনি জানান, পুরকৌশল বিষয়ে পড়াশোনার কারণে প্রকল্প পরিকল্পনা, নির্মাণ ব্যবস্থাপনা ও দল সমন্বয়ের বিষয়ে তার ভিত্তি ছিল শক্তিশালী, যা এই কর্মসূচির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এছাড়া একটি সুসংগঠিত ও বিশ্বাসযোগ্য উদ্দেশ্যপত্র, ইংরেজিতে নিজের ভাবনা পেশাদারভাবে উপস্থাপনের দক্ষতা এবং গবেষণাভিত্তিক কাজের অভিজ্ঞতা তার আবেদনকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তোলে।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে অর্জিত দলগত কাজ, নেতৃত্ব ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতাও তার সামগ্রিক যোগ্যতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি মনে করেন। একই সঙ্গে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একাডেমিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং লক্ষ্য অর্জনের প্রতি প্রতিশ্রুতিও বৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নিজের এই অর্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৮ হাজার পাউন্ডের বৃত্তি অর্জন আমার জন্য শুধু আর্থিক সহায়তা নয়; এটি আমার একাডেমিক পরিশ্রম, দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

ডিআইইউ শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধারাবাহিক সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও গর্বের বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের এ ধরনের অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উচ্চশিক্ষা ও বৈশ্বিক সুযোগের দিকে আরও উৎসাহিত করবে।

/কানিজ/ঋতু

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।