বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অবশেষে ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের নোয়াবাদ এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে এই নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেনী ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (BoT)-এর সম্মানিত সদস্য ও প্রজেক্ট কমিটির কনভেনার আলতাফ হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (অ্যাক্টিং) ড. মাসুদুল হক চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোহা. মোস্তাফিজুর রহমান, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক এবং প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. জালাল আহমেদ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, শিক্ষক এবং কর্মকর্তাবৃন্দ।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ দ্রুততম সময়ে এবং নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। একইসাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের নোয়াবাদ এলাকায় ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রকল্পের প্রাথমিক কার্যক্রম ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয়। পরবর্তীতে ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জমির উন্নয়ন ও অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু হয়। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মূল ভবনের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে এখানে একটি ৭ তলা বিশিষ্ট আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে।
নভেম্বর ২০১২-এ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর অনুমোদন লাভের পর ১৫ মে ২০১৩ তারিখে ‘সেন্টার ফর লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ স্লোগানকে সামনে রেখে ফেনী ইউনিভার্সিটি তার একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বর্তমানে ফেনী ইউনিভার্সিটিতে ৩টি অনুষদ, ৮টি বিভাগ, ফেনী ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সেল এবং ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)
-এর কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসের নতুন এই মূল ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত হবে।

