etcnews
ঢাকাMonday , 22 June 2026
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি
box ad 6
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পবিপ্রবিতে সাবেক ডিনের বিরুদ্ধে জাল ভাউচারে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ

etcnews
June 22, 2026 9:43 pm
Link Copied!

পবিপ্রবি প্রতিনিধি :

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) এনিম্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএনএসভিএম) অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. ফয়সল কবিরের বিরুদ্ধে জাল ভাউচার তৈরির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর হল এবং সুলতানা রাজিয়া হলের উদ্যোগে ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থীদের জন্য নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই আয়োজনে নবীন শিক্ষার্থীদের আপ্যায়ন ও ফুলেল শুভেচ্ছার জন্য সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করে হল কর্তৃপক্ষ।

তবে এ ক্ষেত্রে এএনএসভিএম অনুষদের ডিন অফিসের মজুদ বহিতে বাজেটে উল্লেখ করা খরচে বিভিন্ন অসংগতি দেখা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই বছরের ৯ জানুয়ারি ৩০০ শিক্ষার্থীর জন্য রোল, ডিম সিদ্ধ, ছানা এবং বক্স বাবদ ২৫ হাজার টাকার ভাউচার তৈরি করেন এএনএসভিএম অনুষদের তৎকালীন ডিন অধ্যাপক ড. ফয়সল কবির। কিন্তু হল কর্তৃপক্ষের দাবি, নবীনবরণ উপলক্ষে সব ব্যয় তারাই বহন করেছেন।

এ বিষয়ে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর হলের সাবেক প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান বলেন, “নবীনবরণ অনুষ্ঠানটি দুটি হলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল। তবে আমার জানা মতে, এ আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুষদ থেকে কোনো ধরনের আর্থিক বরাদ্দ বা অর্থ সহায়তা পাওয়া যায়নি।”

অন্যদিকে, একই বছরের ১২ জানুয়ারি ডিনের তৈরি আরও একটি ভাউচারে ৪০০ শিক্ষার্থীর জন্য রোল, ছানা ইত্যাদি বাবদ ২৫ হাজার টাকার ভাউচার পাওয়া যায়। কিন্তু ওই দিন ক্যাম্পাসে এ ধরনের কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়নি বলে জানা যায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। অভিযোগ উঠেছে, জাল ভাউচার তৈরি করে ডিন একাধিক দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন। এ-সম্পর্কিত তথ্যাদি ইতোমধ্যে প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত আছে।

এছাড়াও, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনুষদের বেশ কিছু কর্মকর্তা জানান, সাবেক ডিন ড. ফয়সল কবির বিভিন্ন খরচ বাবদ পঁচিশ হাজার টাকার পঞ্চাশের অধিক জাল ভাউচার তৈরি করেছেন।

এ বিষয়ে এএনএসভিএম অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. ফয়সল কবির বলেন, “আমি কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নই। প্রতিটি ভাউচারের যথাযথ সমন্বয় করা হয়েছে এবং যে প্রক্রিয়ায় অর্থ বরাদ্দ এসেছে, একই নিয়ম মেনে তা ব্যয় করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান বলেন, “আমি আজই রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদান করেছি। এ বিষয়ে কিছুই জানি না। বিষয়টি আমার কাছে এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।