পবিপ্রবি প্রতিনিধি :
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) হিট প্রকল্পের আওতায় ‘কৃষি অনুষদের শিক্ষাক্রম আধুনিকীকরণ এবং এটি বাস্তবায়নের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রারম্ভিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৭ জুন (বুধবার) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সম্মেলন কক্ষে হিট উপ-প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান।
সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার অধ্যাপক ড. মো. মামুন-উর-রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্পের এএসপিএম অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুল লতিফ এবং কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. জহুরুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন, “শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকলে দায়িত্ব নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে পালন করা সম্ভব। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাঁদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছেন এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবেন বলে তিনি আশাবাদী।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে ব্যবহারিক কাজের মাধ্যমে সেই জ্ঞানকে দক্ষতায় রূপান্তরিত করে। এ দুয়ের সমন্বয়েই গড়ে ওঠে প্রকৃত মানসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অনুষদে ব্যবহারিক শিক্ষার প্রতি আরও গুরুত্বারোপ করা প্রয়োজন। এ ধরনের প্রশিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।”
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কর্মশালার কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত টেকনিক্যাল সেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মো. মামুন-উর-রশিদ। পরে অধ্যাপক ড. ইকতিয়ার উদ্দিনের সঞ্চালনায় উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৩টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত কৌশলগত পরিকল্পনা বিষয়ে আলোচনা করেন আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুব রব্বানী। এরপর বিকেল ৪টা পর্যন্ত অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান এবং ৪টা থেকে ৪টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত অধ্যাপক এ টি এম সানাউল হক আলোচনা করেন। সবশেষে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট থেকে ৫টা পর্যন্ত কর্মশালার সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন অধ্যাপক ড. মো. মামুন-উর-রশিদ।

