গত এক দশকে বদলে গেছে দেশীয় সিনেমার দৃশ্যপট। একটা সময় সিনেমা শুধু দেশের দর্শককেন্দ্রিক হলেও, এখন তা আর দেশের প্রেক্ষাগৃহেই সীমাবদ্ধ নয়। নতুন প্রজন্মের নির্মাতাদের সাহসী গল্প, ভিন্নধর্মী নির্মাণভঙ্গি ও আন্তর্জাতিক মানের উপস্থাপনার ফলে দেশের সিনেমা এখন নিয়মিত জায়গা করে নিচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে।নজর কাড়ছে আন্তর্জাতিক দর্শক ও সমালোচকদের। যার ফলে, বৈশ্বিক চলচ্চিত্র মানচিত্রে ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পও। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের সিনেমার অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় আবারও উঠে এসেছে মাস্টার সিনেমাটির নাম।জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হবে সিনেমাটি। এটির পরিচালক রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত জানান, সিনেমাটি অস্ট্রেলিয়া প্রিমিয়ারের আমন্ত্রণ পেয়েছে। এই নির্মাতা বলেন, ‘আমাদের চলচ্চিত্রটি মূলত মানুষের ওপর ক্ষমতার প্রভাব ও তার মনস্তাত্ত্বিক ব্যবচ্ছেদ নিয়ে। বাংলাদেশের বনঘেঁষা এক প্রান্তিক জনপদের গল্প কীভাবে বিশ্বজনীন হয়ে উঠতে পারে, তার প্রমাণ এবারের আমন্ত্রণ।’
সামনে আরও বেশ কিছু উৎসবে অংশ নেবে বলে জানান পরিচালক রেজওয়ান। সিনেমাটির মনোনয়ন নিয়ে তিনি বলেন, ‘সিডনিসহ বিশ্বের নামি সব উৎসবের আগ্রহ দেখে বুঝতে পারছি, আমাদের গল্পটা দর্শক ও আয়োজকরা পছন্দ করছেন। উৎসবের আয়োজকদের সঙ্গেও কথা হয়েছে, তারাও দর্শকদের কাছে ছবিটি পৌঁছে দিতে চাইছে।
কারণ, এর মূল প্রতিপাদ্য তাদের নাড়া দিয়েছে। ক্ষমতার মোহের কাছে মানুষের হার মানার এ চিরন্তন গল্প আজ সারা বিশ্বেই প্রাসঙ্গিক। আর এ বিষয় নিয়েই এখন আলাপ হওয়া প্রয়োজন।’

