যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
ম্যাটারিয়াল এন্ড এনার্জি ব্যালেন্স অলিম্পিয়াড দিয়ে যাত্রা শুরু করলো যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংগঠন জাস্ট স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার অব এআইসিএইচই (আমেরিকান ইন্সটিটিউট অফ কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারস)। মোট ৩২ টি দলের ৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ এ অলিম্পিয়াডে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের গ্যালারিতে এ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান এবং বিভাগের অধ্যাপক ড.বিপ্লব কুমার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং যবিপ্রবি এআইসিএইচই এর উপদেষ্টা ড. ইঞ্জি. রাজেশ কুমার চন্দ।
অলিম্পিয়াডে চ্যাম্পিয়ন হয় অরিত্ব বিশ্বাস ও ইমন হাসানের টিম ব্যালেন্স ব্রেকার। প্রথম রানার্সআপ হয় ইয়াসিন আরাফাত শেখ ও মোসা সানজিদা ইসলামের টিম ফ্রন্টিয়ার এবং দ্বিতীয় রানার্সআপ হয় আবুল হোসাইন ও জমির উদ্দিন বাদশার টিম সিস্টেম।
অলিম্পিয়াডে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষার্থীদের এ ধরনের কার্যক্রমে উৎসাহিত করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠান আয়োজনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন আমি আশা করি যবিপ্রবি এআইসিএইচই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের কার্যক্রম দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক পরিচিতি তুলে ধরবে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় এর পক্ষ থেকে সকল ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
ড. বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্সের (এআইসিএইচই) গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনেক। যবিপ্রবিতে এআইসিএইচই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের যাত্রা শুরু হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশে ভূমিকা রাখবে।
ড. রাজেশ কুমার চন্দ বলেন, যবিপ্রবি এআইসিএইচই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার প্রতিষ্ঠার পেছনে শিক্ষার্থীদের অনেক প্রচেষ্টা ও পরিকল্পনা রয়েছে। এর অন্যতম একটি লক্ষ্য হলো ‘আউটস্ট্যান্ডিং স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করা। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ও যবিপ্রবির পরিচিতি আরও সুদৃঢ় করতেও শিক্ষার্থীরা কাজ করছেন।
যবিপ্রবির এআইসিএইচই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের সভাপতি ফাহিম খান রাতুল বলেন, প্রায় ২ বছরের চেষ্টায় আমরা এই পর্যায়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। এ ছাড়া, আগামী ডিসেম্বরে জাতীয় পর্যায়ে একটি আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
অলিম্পিয়াডে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত শেখ বলেন, আমরা বর্তমানে কেম-ই-কার নিয়ে কাজ করছি এবং আমাদের লক্ষ্য হলো ভবিষ্যৎে আমরা প্রজেক্টটি যুক্তরাষ্ট্রে এআইসিএইচই এর কেন্দ্রীয় কনফারেন্সে উপস্থাপন করবো।
/কানিজ/রাব্বীল

