etcnews
ঢাকাSaturday , 20 June 2026
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি
box ad 6
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরকার তিন বৃহৎ শক্তির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক চায়

etcnews
June 20, 2026 9:17 am
Link Copied!

একবিংশ শতাব্দীর ভূরাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে এক নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীন—এই তিন বৃহৎ শক্তির সঙ্গে সমানভাবে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় বর্তমান বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার। কারণ, বাংলাদেশ ঘিরে যে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি, তাতে জড়িত এই তিন বৃহৎ শক্তি।কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, কোনো নির্দিষ্ট ব্লকে বা জোটে আটকে না থেকে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’—এই নীতির আধুনিক ও বাস্তবমুখী প্রয়োগ ঘটাতে চলেছে নতুন সরকার। সেই লক্ষ্যেই ৬ দিনের সরকারি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যা আগামীকাল মালয়েশিয়া সফর দিয়ে শুরু হচ্ছে। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর এটি। এরপর সেখান থেকে সরকারি সফরের অংশ হিসেবে চীনে যাবেন তারেক রহমান। মূলত চীন সফরকে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর একাধিক উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মনে করছেন, মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। ২১-২২ জুন মালয়েশিয়া এবং এরপর ২৩-২৬ জুন চীন সফরের পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত গত প্রায় দেড় যুগ বাংলাদেশ একটি বিশেষ দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছিল।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় আমেরিকা, ভারত ও চীনের মতো পরস্পরবিরোধী ও প্রতিদ্বন্দ্বী তিন বৃহৎ শক্তির সঙ্গে একসঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা বাংলাদেশের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সুদূরপ্রসারী ও কৌশলী কূটনৈতিক পদক্ষেপ যদি সফল হয়, তবে তা বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে গঠিত নতুন সরকার পররাষ্ট্রনীতিতে ‘মেরুদণ্ড সোজা রেখে’ সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায়। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সরকারের পররাষ্ট্রনীতি হবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’—যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্তে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে বিএনপি এককভাবে ২১৩টি (পরে ২টি) আসনে বিজয়ী হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি। বাকি আসনগুলোতে বিভিন্ন জোট, দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। এরপর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়।প্রধানমন্ত্রীসহ ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভায় চমক হিসেবে রয়েছেন ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। যারা একেবারেই নতুন। এ ছাড়া পূর্ণ মন্ত্রীর মধ্যে ১৬ জনই নতুন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরল বিএনপি।

জানা যায়, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে বিদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানায় প্রতিবেশীসহ বন্ধুপ্রতিম বেশ কিছু দেশের সরকার প্রধানরা। তবে অবশেষে মালয়েশিয়া ও চীন সরকারের আমন্ত্রণে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সরকার গঠনের পর প্রায় চার মাসের মাথায় প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম অর্থনৈতিক পরাশক্তি মালয়েশিয়াকে বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার পরবর্তী গন্তব্য বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীন। মালয়েশিয়া এবং চীন—এ দুই দেশে ছয় দিন ব্যস্ত সময় পার করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল রোববার দুপুরে একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। সোমবার দিনভর সেখানে ব্যস্ত সময় পার করে ২২ জুন রাতেই তার চীনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেওয়ার কথা রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত এই দুটি দেশ সফরে স্বাক্ষর হতে পারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)। এর মধ্যে কুয়ালালামপুরে জনশক্তি রপ্তানিসহ তিনটি এবং বেইজিংয়ে ১০টি এমওইউ স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরে অবকাঠামো, জ্বালানি, শিল্প পার্ক, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও অর্থায়নের মতো বিষয় প্রাধান্য পাচ্ছে। এসবের বাইরেও বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে মালয়েশিয়ায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি চীনে অবকাঠামো ও শিল্প খাতের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২২ জুন বিকেলে মালয়েশিয়া সফর শেষে সরাসরি চীনের একটি উপকূলীয় বন্দরনগরী দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে ২৩ জুন বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে তার বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। পরে জলবায়ু এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পুনর্গঠন বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেবেন তিনি। ২৪ জুন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিশ্ব অর্থনীতি, বিনিয়োগ প্রবাহ, সবুজ অর্থনীতি এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু প্রাধান্য পাবে। একই দিনে অবকাঠামো ও শিল্প খাতের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে। চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন, চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন এবং চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে রেলপথ, সেতু, বিদ্যুৎ এবং শিল্পায়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হবে ২৬ জুন। ওই দিন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম দুটি সফরের দেশ নির্বাচনই স্পষ্ট করে দেয় যে, বর্তমান সরকার তার বৈদেশিক নীতিতে এক বড় ধরনের ভারসাম্য আনতে যাচ্ছে। বেইজিং সফরকালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে।

তিন বৃহৎ শক্তিকে ঘিরে সরকারের ‘ভারসাম্য কূটনীতি’

নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি দাঁড়িয়ে আছে তিনটি স্তম্ভের ওপর। সেগুলো হচ্ছে—পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহায়তা, শ্রমবাজারের প্রসার এবং অবাধ ও সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশের ধারাবাহিকতা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের বৃহৎ অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিকাশে চীনের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে কাজে লাগাতে চায় ঢাকা। ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা এবং ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক কারণে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে ট্রানজিট, তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন এবং সীমান্ত সুরক্ষার মতো সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর সরকার।

জানা গেছে, চীন সফর সফলভাবে সমাপ্ত করার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিবেশী ভারত সফরে যেতে পারেন। এরপর জাপান কিংবা তুরস্ক অথবা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশে দ্বিপক্ষীয় সফরে অংশ নেবেন। বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিং সফরের ঠিক পরপরই নয়াদিল্লি বা ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করার কৌশলটিই মূলত একটি বার্তা। বাংলাদেশ যে কোনো একটি পরাশক্তির দিকে ঝুঁকে নেই, বরং জাতীয় স্বার্থকে সবার ওপরে রেখে প্রতিটি দেশের সঙ্গেই সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়তে চায়—এই বার্তাই বিশ্বমঞ্চে দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কূটনীতিকরা যা বলছেন

বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় আমেরিকা, ভারত ও চীনের মতো পরস্পরবিরোধী ও প্রতিদ্বন্দ্বী তিন পরাশক্তির সঙ্গে একসঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা বাংলাদেশের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সুদূরপ্রসারী ও কৌশলী কূটনৈতিক পদক্ষেপ যদি সফল হয়, তবে তা বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর প্রসঙ্গে রাজনীতি বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান কালবেলাকে বলেন, রাষ্ট্রের স্বার্থ, রাজনৈতিক সুবিধা ও দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ওয়ার্কআউট করার পর সরকারপ্রধান নির্ধারণ করেন কোন দেশে আগে যাবেন—এটা স্বাভাবিক। কিন্তু এর প্রভাব অন্য কোনো দেশের ওপর পড়ার কথা নয়। প্রত্যেক দেশই জাতীয় স্বার্থনীতি আগে ঠিক করে, এরপর অন্য দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করে। এখনই গেলে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্টতার নিশ্চিয়তা পাওয়া যাবে, সে জন্য প্রথম মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সেখান থেকে চীন যাবেন, এটাও দ্বিপক্ষীয় সফর। এই সফরের সঙ্গে ভূ-রাজনৈতিক কোনো সম্পর্ক আছে বলে মনে করছি না। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এরপর বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে অন্য দেশের আলাপ-আলোচনা হবে, চুক্তি স্বাক্ষরসহ প্রধানমন্ত্রী সফরে গেলে অন্যান্য কাজ সফলভাবে শেষ করা যাবে—সে দেশেই তিনি যাবেন। এতে আমেরিকা, ভারত, চীনের সঙ্গে সম্পর্কের প্রভাব পড়বে না, চিন্তার কিছু নেই।জানতে চাইলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সাহাবুল হক সাবু গতকাল কালবেলাকে বলেন, বিএনপি নিজেকে উদারপন্থি, ইসলামী মূল্যবোধসম্পন্ন ও গণতান্ত্রিক দল হিসেবে পরিচয় দেয়। সে দৃষ্টিকোণ থেকে মালয়েশিয়াকে প্রথম সফরের গন্তব্য হিসেবে নির্বাচন একটি প্রতীকী ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত। মালায়েশিয়া একটি আধুনিক, অর্থনৈতিকভাবে সফল এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র, যার উন্নয়ন মডেল বাংলাদেশের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। একই সঙ্গে প্রথম সফরে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র বা চীনের মতো পরাশক্তিকে বেছে না নিয়ে মালয়েশিয়াকে প্রাধান্য দেওয়া বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়। এরপর চীন সফর অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বিনিয়োগ আকর্ষণের বাস্তববাদী প্রয়াসকে তুলে ধরে। ফলে এই সফরসূচি থেকে প্রতীয়মান হয় যে, বিএনপি সরকার আদর্শিক অবস্থান ও অর্থনৈতিক স্বার্থের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে বহুমাত্রিক ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে চায়, যেখানে জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নই প্রধান অগ্রাধিকার।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর হিসেবে মালয়েশিয়া এবং পরে চীন সফর বাংলাদেশের নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করে। তাছাড়া এই সফরগুলোতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, শ্রমবাজার এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এই মুহূর্তে এসব বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।