etcnews
ঢাকাThursday , 10 September 2026
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি
box ad 6
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল পাস

etcnews
September 10, 2026 9:32 am
Link Copied!

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারা বাতিলের লক্ষ্যে আনা ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বিলটির ওপর তাদের প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করে।এ ধারাটি নিয়ে আগে সমালোচনা ছিল যে, এর মাধ্যমে রেজল্যুশনের আওতায় আনা ব্যাংকের সাবেক শেয়ারহোল্ডাররা পুনরায় ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায়ের মালিকানা পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

বিলটি পাসের সময় অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারণ, ওই ধারায় নির্ধারিত কঠোর নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ করে কোনো ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এগিয়ে আসেননি।আমির খসরু বলেন, ‘সংকটে পড়া তফসিলি ব্যাংক পুনর্গঠনে বাজারভিত্তিক বিকল্প কাঠামো দেওয়ার লক্ষ্যে মূলত ১৮(ক) ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ও তারল্য সংকট মোকাবিলা, আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন না করে সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ কমানো।’

তিনি বলেন, ‘ব্যাংক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় শুধু যোগ্য ও সক্ষম প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৮(ক) ধারায় দুই পৃষ্ঠা জুড়ে কঠোর শর্ত দেওয়া হয়েছিল। তবে আইনটি প্রণয়নের পর থেকে কোনো শেয়ারহোল্ডার, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ওই ধারার সব শর্ত পূরণ করতে পারেনি। ফলে ধারাটির মূল উদ্দেশ্য বাস্তবে অর্জিত না হওয়ায় আমরা এটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

সংসদীয় কার্যক্রমের সময় অর্থমন্ত্রী আইন প্রণয়নের মূল কাজের প্রতি কঠোরভাবে মনোযোগ দেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি সংসদের শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমের উদ্দেশ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিল অনুযায়ী, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারা বাতিল করা হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশে ধারাটি ছিল না। পরে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অধ্যাদেশটি সংশোধন ও অনুমোদনের সময় ১৮(ক) ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন পাসের পর থেকেই ১৮(ক) ধারা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সমালোচকদের মতে, এ ধারার মাধ্যমে রেজল্যুশনের আওতায় থাকা ব্যাংকের সাবেক ও বিতর্কিত পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারদের পুনরায় মালিকানায় ফেরার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ধারাটির আওতায় কোনো ব্যাংক রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার অধীনে যাওয়ার আগে ওই ব্যাংকের শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডাররা পুনরায় ব্যাংকটির শেয়ার, সম্পদ ও দায় অধিগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করতে পারতেন।

এ ধারার অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকেও একই সুযোগ দিতে পারত।

পাঁচটি সমস্যাগ্রস্ত ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ধারাটি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর সাবেক পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডাররা পুনরায় মালিকানায় ফিরে আসতে পারেন, এমন আশঙ্কা থেকে তখন উদ্বেগ তৈরি হয়।

পরে সমালোচনার মুখে সরকার ধারাটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়।

সংশোধনী বিলের সঙ্গে সংযুক্ত উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আইনটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ ধারায় নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ১৮(ক) ধারা বাতিল করা সমীচীন।’

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।