আমার এই পথচলায় আমার আব্বুর অবদান আমি কখনো ভুলতে পারব না, আব্বু আমাকে শুধু মিউজিক এর পথ দেখাননি, জীবনের পথেও অনেক কিছু শিখিয়েছেন। আমার জন্মস্থান বরমী থেকে শুরু হওয়া সেই ছোট্ট স্বপ্নটা আজো অন্তরে আছে, সবার ভালোবাসা ও দোয়া নিয়ে সঙ্গীতে আরো অনেক দূর যেতে চাই।
কথাগুলো সময়ের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী
এএইচআর রাব্বির,যিনি বর্তমান সময়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গান গেয়ে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
রাব্বির পুরো নাম আহসান হাবিব রাব্বি ,তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার বরমী এলাকায়।
মাত্র ২০ বছর বয়সে ‘তোমার চোখের মায়ায় পড়া’গানটির মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শ্রোতাদের কাছে বেশ পরিচিতি ও ভালোবাসা কুড়িয়েছেন তিনি। গানটি তার সংগীত জার্নিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচনা করেছে।
রাব্বির উল্লেখযোগ্য ও জনপ্রিয় কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে,নীল শাড়ি,মিথ্যা ভালোবাসা, তোমার চোখের মায়ায় পড়া, তোমার রাঙা ঠোঁটের ওই মিষ্টি হাসি,পাখি উড়াল দিছে রে,এখন আর কাজ হবে না ভালোবাসি বলে, মন পিঞ্জরে থাকিয়া কেমনে হইলো পর গানগুলো অন্যতম।
গানগুলোর মাধ্যমে রাব্বি শ্রোতাদের কাছ থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছেন এমনটাই তিনি জানিয়েছেন প্রতিবেদককে।
তার অপ্রকাশিত গানের তালিকায় রয়েছে বেশ কয়েকটি মৌলিক গান,তার মধ্যে রয়েছে, থাইকা কেমনে হইলো পর,ধোঁক সাগর,মনো প্রাণ সঁপিয়া,চোখের পানি পড়াবে তোমায় গানগুলো উল্লেখযোগ্য।
দেশের খ্যাতিমান ও জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পীদের সাথে কাজ করেছেন রাব্বি, তার মধ্যে রয়েছেন আরমান আলিফ,পারভেজ খান ও সিয়াম আহমেদ এর মত শিল্পীরা।
এপর্যন্ত প্রায় আটটি মৌলিক গান প্রকাশ পেয়েছে রাব্বির কন্ঠে। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি গান পেয়েছে সমানভাবে জনপ্রিয়তা।
জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, আমি কখনো ভাবিনি, বরমী থেকে শুরু করা আমার ছোট্ট মিউজিক জার্নিতে একদিন এত মানুষের ভালোবাসা পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। আজ আমি যে অবস্থানে আছি, তার পেছনে রয়েছে আমার নিজের চেষ্টা, পরিশ্রম এবং প্রতিনিয়ত কিছু শেখার মানসিকতা। তবে আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া হলো শ্রোতাদের ভালোবাসা ও সাপোর্ট।
তিনি বলেন, নিজের কাজের মাধ্যমে আপনাদের হৃদয়ে আরও একটু জায়গা করে নিতে চাই। আমার এই জার্নিতে যারা শুরু থেকে আমার পাশে ছিলেন, আমার গান শুনেছেন, শেয়ার করেছেন, ভালোবাসা দিয়েছেন এবং প্রতিটি নতুন কাজে আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

