ডিআইইউ প্রতিনিধি:
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ইংরেজি বিভাগ ও দ্য সেন্টার ফর রিসার্চ, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এক্সটেনশন (সিআরইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্রম ক্ল্যাসিক্যাল রুটস টু মডার্ন ভয়েসেস: ইভোলিউশন অব সাউথ এশিয়ান থট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুর ১টায় অনলাইনে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের পাঞ্জাবের দেশ ভাগত ইউনিভার্সিটির লিবারেল আর্টস অনুষদের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নাসির উদ দীন সোফি। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার ধ্রুপদি দর্শন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিবর্তন এবং আধুনিক সমাজে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে অঞ্চলটির বহুমাত্রিক ভাষা, সংস্কৃতি ও বৌদ্ধিক আন্দোলন কীভাবে সমসাময়িক পরিচয় নির্মাণে ভূমিকা রেখেছে, তাও তুলে ধরেন।
সেমিনারের উদ্বোধনী বক্তব্যে ডিআইইউর ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক একাডেমিক আয়োজন আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপ, সমালোচনামূলক চিন্তাচর্চা ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার দ্বার উন্মোচন করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআইইউর কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেন, সমসাময়িক সমাজ ও সংস্কৃতিকে বুঝতে দক্ষিণ এশিয়ার বৌদ্ধিক ঐতিহ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সেমিনার শিক্ষার্থী ও তরুণ গবেষকদের গবেষণামুখী হতে উৎসাহিত করবে।
সেমিনারের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সাহিত্য, দর্শন, সাংস্কৃতিক রূপান্তর এবং দক্ষিণ এশীয় চিন্তার সমকালীন ব্যাখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। ড. নাসির উদ দীন সোফি অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেন এবং বিষয়গুলো নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা করেন।
আয়োজকদের মতে, সেমিনারটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমালোচনামূলক চিন্তা, গবেষণার আগ্রহ এবং দক্ষিণ এশীয় সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে গভীর অনুধাবন তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও সমন্বয় করেন ডিআইইউর ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মাহিমা আখতার অদ্রিতা। শেষে প্রধান বক্তা, শিক্ষক ও অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে সেমিনারের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা, মানসম্মত শিক্ষা এবং জ্ঞান বিনিময়কে আরও সম্প্রসারিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

