যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা স্মারককে (এমওইউ) স্বাগত জানিয়েছে কাতার। দেশটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ।কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে আনার প্রচেষ্টায় কাতার সহযোগিতা করেছে। তবে কাতার সরাসরি মধ্যস্থতাকারী নয়, বরং সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে।তিনি জানান, আলোচনার মূল বিষয় ছিল হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ আবারও জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা।
কাতার আশা করছে, আসন্ন সমঝোতার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে যাবে এবং সেখানে টোলমুক্ত ও স্বাভাবিক নৌ চলাচল নিশ্চিত হবে।মাজেদ আল-আনসারি আরও জানান, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে কাতারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। চুক্তি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য দেশটি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে, এই চুক্তিতে কাতার কোনো আর্থিক সহায়তা দিয়েছে, এমন দাবি নাকচ করেছে দেশটি। কাতারের দাবি, তারা কোনো অর্থ দেয়নি; বরং সংকটের অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয় চলছে।
গাজা ও লেবাননের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কাতার। দেশটি গাজায় যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে এবং লেবাননে ইসরায়েলের হামলাকে দেশটির সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছে দোহা।

