যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) নওগাঁ জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘নওগাঁ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন-যবিপ্রবি’র উদ্যোগে নবীন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যালারিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু সাঈদ এবং খাদ্য প্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন।
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করেন অতিথিরা। পরে ‘নওগাঁ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন-যবিপ্রবি’র নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু সাঈদ বলেন, ‘নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের একটি নতুন অধ্যায়। তাদের স্বাগত জানাই এবং আশা করি, তারা পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে মনোযোগী হবে। একই সঙ্গে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের অভিজ্ঞতা ও অর্জন ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগবে বলে প্রত্যাশা করি। নওগাঁ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এটাই প্রত্যাশা।’
বিদায়ী শিক্ষার্থী ও অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করে আজ বিদায় নিচ্ছি। নওগাঁ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন আমাদের মধ্যে যে পারস্পরিক বন্ধন, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক তৈরি করেছে, তা সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, তারা যেন পড়াশোনার পাশাপাশি সংগঠনের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও নিজেদের জেলার মর্যাদা সমুন্নত রাখতে ভূমিকা রাখে।’
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থী মো. নিশাত হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে প্রথমবারের মতো এমন একটি আয়োজনে নবীন শিক্ষার্থী হিসেবে বরণ করে নেওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও অনুপ্রেরণার। নওগাঁ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে আন্তরিকতা ও সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরি হয়, তা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবনকে আরও সুন্দর ও সহজ করে তুলবে বলে বিশ্বাস করি। সংগঠনের সঙ্গে থেকে নিজেদের উন্নয়নের পাশাপাশি এর কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে আমরা সক্রিয়ভাবে কাজ করতে চাই।’
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে দায়িত্বশীলতা, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ জীবনে দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন অতিথিরা।
/কানিজ/রাব্বীল

