ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংসের হুমকির জবাবে মার্কিন তেল ও গ্যাস স্থাপনায় পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। খবর আলজাজিরার।সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সম্পদে হামলা চালালে দেশটিও পাল্টা আঘাতের মুখে পড়বে।গালিবাফ বলেন, ইরানের তেল ও গ্যাস উৎপাদন ব্যবস্থা বিস্তৃত, সহজে শনাক্তযোগ্য এবং বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থাপনা ও জলসীমায় থাকা মার্কিন তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোরও একই ধরনের ঝুঁকি রয়েছে।
তিনি সরাসরি সতর্ক করে বলেন, আমাদের সম্পদে হামলা চালালে আপনারাও হামলার শিকার হবেন।মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার বহর ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছিলেন। এর পরই গালিবাফ এ সতর্কবার্তা দিলেন।
পোস্টের সঙ্গে ইরানের তেল অবকাঠামোর একটি ছবি যুক্ত করেন গালিবাফ। ছবিটিতে ‘যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির হারানো দশক আসছে’ এমন একটি বার্তাও লেখা ছিল।
এর আগে গতকাল ইরানের স্বার্থ বা নিরাপত্তার ওপর নতুন করে কোনো হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও দ্রুত, কঠোর ও যন্ত্রণাদায়ক জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন গালিবাফ।
পার্লামেন্টের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে ‘সমানুপাতিক জবাব’ দেওয়ার সময় শেষ হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের চালানো সামরিক অভিযানকে তিনি কেবল শুরু বলে উল্লেখ করেন।
গালিবাফ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে বুঝতে হবে, সমানুপাতিক জবাবের সময় শেষ হয়ে গেছে। এখন থেকে ইরানের স্বার্থ ও নিরাপত্তার ওপর যে কোনো আগ্রাসনের জবাব আরও দ্রুত, আরও কঠোর ও আরও যন্ত্রণাদায়ক হবে।’
ইরানের এই পার্লামেন্ট স্পিকার দাবি করেন, মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা ওয়াশিংটনকে চাপে ফেলেছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি ভিন্নভাবে তুলে ধরতে যুক্তরাষ্ট্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ছবি ও ভিডিও তৈরি করছে।
সূত্র : আলজাজিরা

