etcnews
ঢাকাMonday , 17 August 2026
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি
box ad 6
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ‘কপি’ করার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

etcnews
August 17, 2026 9:44 am
Link Copied!

রাশিয়ার প্রযুক্তি কপি অর্থাৎ অনুসরণ করে নতুন ধরনের মোবাইল রাডার তৈরির কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ক্ষয়ক্ষতির পর এটি নিয়ে ভাবা শুরু করেছে দেশটি। সামরিকবিষয়ক ম্যাগাজিন মিলিটারি ওয়াচের এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন প্রজন্মের থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রাডারে মোবাইল সেন্সর প্ল্যাটফর্ম যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে পেন্টাগন। রাশিয়ার এস-৩০০ ও এস-৪০০ ব্যবস্থায় শুরু থেকেই এ ধরনের মোবাইল সেন্সর ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মিলিটারি ওয়াচের দাবি, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহেই ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি যুক্তরাষ্ট্রের ৩০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের বিমান প্রতিরক্ষা রাডার ধ্বংস করেছে।

ধ্বংস হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে ছিল আনুমানিক ৭ কোটি ডলার মূল্যের এএন/টিপিএস-৫৯ রাডার। এছাড়া থাড ব্যবস্থার দুটি এএন/টিপিওয়াই-২ এক্স-ব্যান্ড মোবাইল রাডারও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিটির মূল্য ১০০ কোটি ডলারের বেশি।আরও একটি এএন/এফপিএস-১৩২ রাডার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।রাডারগুলো ধ্বংস হওয়ায় যুদ্ধক্ষেত্রে মার্কিন বাহিনী ও তাদের মিত্রদের শত্রুপক্ষের গতিবিধি শনাক্ত করার সক্ষমতা বড় ধাক্কা খেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থায় প্রচলিত পশ্চিমা ধারণা থেকে কিছুটা সরে আসার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বর্তমানে একটি বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটে রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ও অন্যান্য সরঞ্জাম একসঙ্গে কাজ করে।

নতুন ধারণায় রাডারকে আলাদা মোবাইল সেন্সর হিসেবে ব্যবহার করা হবে। একটি মোবাইল রাডার দূর থেকে শত্রুর লক্ষ্য শনাক্ত করবে এবং সেই তথ্য অন্য স্থানে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থায় পাঠাবে।

এ ধরনের নেটওয়ার্কভিত্তিক বিমান প্রতিরক্ষা কাঠামো রাশিয়ার এস-৩০০ ও এস-৪০০ ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে মিলিটারি ওয়াচ। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব আইবিসিএস ব্যবস্থাতেও বিভিন্ন সেন্সর ও অস্ত্রকে একটি নেটওয়ার্কে যুক্ত করার ধারণা রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাডার ধ্বংস হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে জাহাজে থাকা সেন্সর এবং তুরস্কে মোতায়েন করা একটি এএন/টিপিওয়াই-২ রাডারের ওপর বেশি নির্ভর করতে হয়েছে।

এর আগে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছিল, ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামের ক্ষতির পরিমাণ ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর ইরান ২ হাজারের বেশি বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় আটটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত অন্তত ২০টি সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ ছাড়া ইরানের হামলায় ৪২টির বেশি মার্কিন সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিমান ঘাঁটিতে অবস্থানরত অবস্থায় হামলার শিকার হয়।

সূত্র: আরটি

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।