ফ্রি ফায়ার ভক্তদের জন্য Hayato ও Moco Edition স্মার্টওয়াচ এবং TWS আনলো oraimo
ঢাকা: বৈশ্বিক স্মার্ট অ্যাক্সেসরিজ ব্র্যান্ড oraimo জনপ্রিয় ব্যাটল রয়্যাল গেম Free Fire-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের বাজারে উন্মোচন করেছে Hayato ও Moco থিমভিত্তিক বিশেষ সংস্করণের স্মার্টওয়াচ এবং ট্রু ওয়্যারলেস স্টেরিও (TWS) ইয়ারবাড। নতুন এ পণ্যগুলো ইতোমধ্যে দেশের গেমিং ও ইস্পোর্টস কমিউনিটিতে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বাংলাদেশের বাজারে এই প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড বৈশ্বিক গেমিং ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সহযোগিতায় এ ধরনের বিশেষায়িত গেমিং লাইফস্টাইল পণ্য নিয়ে এসেছে।
নতুন সিরিজে রয়েছে oraimo Watch 6 Free Fire Hayato Edition এবং oraimo Watch 6 Free Fire Moco Edition। স্মার্টওয়াচগুলোতে ২.০১ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লে, ব্লুটুথ কলিং, এআই-জেনারেটেড ওয়াচ ফেস, ১০০টিরও বেশি স্পোর্টস মোড এবং IP68 ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। গেমিং-অনুপ্রাণিত নকশার পাশাপাশি দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন স্মার্ট ফিচারও এতে রয়েছে। প্রতিটি স্মার্টওয়াচের মূল্য রাখা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ২০০ টাকা।
এছাড়া Free Fire Collaboration TWS সিরিজে শক্তিশালী সাউন্ড, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপ, লো-ল্যাটেন্সি গেমিং এক্সপেরিয়েন্স এবং চরিত্রভিত্তিক কাস্টম ডিজাইন যুক্ত করা হয়েছে, যা গেমপ্রেমীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করবে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের পরিকল্পনা শুধু নতুন পণ্য বাজারজাত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ইস্পোর্টস ইকোসিস্টেমে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার অংশ হিসেবে গেমিংভিত্তিক পডকাস্ট, কমিউনিটি এনগেজমেন্ট, কনটেন্ট সহযোগিতা এবং প্রতিযোগিতামূলক গেমিং টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
ইন্ডাস্ট্রি সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর এমন অংশগ্রহণ দেশের ইস্পোর্টস খাতকে আরও সংগঠিত ও বাণিজ্যিকভাবে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি গেমার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং নতুন প্রতিভাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এদিকে, চলতি বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশের গেমিং কমিউনিটিকে ঘিরে আরও বড় পরিসরের উদ্যোগ ঘোষণা করতে পারে oraimo—এমন গুঞ্জনও রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, Free Fire-এর সঙ্গে এই সহযোগিতার মাধ্যমে oraimo শুধু নতুন পণ্যই বাজারে আনেনি; বরং বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান গেমিং সংস্কৃতি ও ইস্পোর্টস খাতের প্রতি তাদের দীর্ঘমেয়াদি আগ্রহ ও প্রতিশ্রুতিরও একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে।

