পবিপ্রবি প্রতিনিধি :
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা করেছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এসব সভায় শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সকাল ১০টায় কীটতত্ত্ব বিভাগের ল্যাবে বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক ড. মো. হামিদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মিয়া মুন্নার সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। এ সময় বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সকাল ১১টায় এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অনুষদের শিক্ষকদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মহসীন হোসেন খানের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী অধ্যাপক পাপরি হাজরার সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় উপাচার্য প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভায় অনুষদের শিক্ষকরা অংশ নেন।
বিকেল ৩টায় নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স অনুষদের শিক্ষকদের সঙ্গে আরেকটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক মহিবুল্লাহ রুবেলের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ সভায় সংশ্লিষ্ট অনুষদের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন এবং বিভাগ ও অনুষদের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরেন।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রতিটি সভার শুরুতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও অনুষদের পক্ষ থেকে উপাচার্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎকর্ষ নির্ভর করে শিক্ষা, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর। তিনি বলেন, বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পবিপ্রবিকে এগিয়ে নিতে গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতেবিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তিনি আরও বলেন, একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও গবেষণাবান্ধব প্রশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পবিপ্রবিকে দেশের অন্যতম সেরা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এ লক্ষ্যে আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

