ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে থেমে থেমে ১৩ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ঈদে ঘরমুখো মানুষ। তবে যানজট নিরসনে নিরলসভাবে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী৷মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোর থেকেই যানবাহনের ধীর গতির সৃষ্টি হয়।এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরীর বলেন, সেতুতে গাড়ি বিকল ও দুর্ঘটনার ফলে পুংলী পর্যন্ত মহাসড়কের যানবাহনের ধীর গতিতে চলছে। মহাসড়কে যানজট নিরসনে পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছে৷
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ঝড়-বৃষ্টির কারণে গাড়ির দীর্ঘ সারি ছিল৷ এর মধ্যে যমুনা সেতুতে একাধিক গাড়ি বিকল ও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে৷ ফলে মহাসড়কে আরও ধীরগতির তৈরি হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সোমবার রাত ১২টা থেকে এখন পর্যন্ত সেতুতে ১১টি গাড়ি বিকলের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার সকালে কিছুক্ষণ আগে আবার সেতুতে উত্তরবঙ্গগামী লেনে এক সঙ্গে চারটি গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার কবলিত গাড়িগুলো রেকারের মাধ্যমে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

