আন্তর্জাতিক বাজারে মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম কমেছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলারের প্রভাবে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানে রাখায় এই পতন দেখা গেছে। খবর রয়টার্সের।
এ দিন স্পট গোল্ডের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭৮৫.৫৬ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার্স ০.৫ শতাংশ কমে ৪,৮০৪.৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা তৈরি করেছে, যা স্বর্ণের দামে প্রভাব ফেলছে।
এদিকে সবশেষ সমন্বয়ে বাংলাদেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মূল্যবান এই ধাতুটি বিক্রি হচ্ছে সবশেষ নির্ধারিত দামে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম যথাক্রমে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

