etcnews
ঢাকাMonday , 14 September 2026
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘আমার টিমের সদস্যরাও আমাকে বর্জন করেছিল’

etcnews
September 14, 2026 6:55 pm
Link Copied!

ইতালির ভেনিসে চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার পর দেশে ফিরেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। দেশে ফিরে তিনি জানিয়েছেন, হামলার পর ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তার সিনেমার টিমের সদস্যরা তাকে একরকম বর্জন করেছিলেন। এমনকি পরবর্তী সময়ে টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাওয়ার ক্ষেত্রেও তাকে নিষেধ করা হয় বলে দাবি করেছেন এই অভিনেত্রী।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশে ফেরার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন বাঁধন।রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ইতালিতে গিয়েছিলেন বাঁধন। গত মঙ্গলবার মেস্ত্রে শহরে তাকে ‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় গত ৮ সেপ্টেম্বর ইতালিতে মামলা করেন অভিনেত্রী।

হামলার পর ভেনিসে কী ধরনের সহযোগিতা পেয়েছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে বাঁধন বলেন, ‘ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালের ডিরেক্টর, ইতালি সরকার, আমাদের দেশের সরকার এবং ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাস আমাকে সাপোর্ট করেছে, সাহায্য করেছে।’তবে নিজের সিনেমার টিমের কাছ থেকে সহযোগিতা না পাওয়ার আক্ষেপ করে বাঁধন বলেন, ‘কিন্তু আমার যে টিম, তারা আমাকে ডিজওন (বর্জন) করেছে। ফেস্টিভ্যালের বাকি দিনগুলোতে তাদের সঙ্গে অংশ নিতে নিষেধ করেছে। এমনকি পরবর্তীতে টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভালে যাওয়ার কথা থাকলেও তারা আমাকে সেখানেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।’

তবে সহশিল্পীদের মধ্যে কয়েকজন তার পাশে ছিলেন বলে জানান বাঁধন। তিনি বলেন, ‘আমার কো-অ্যাক্টরদের মধ্যে সুনেরাহ, জায়নিন ও জায়নিনের মা আমাকে খুবই সাহায্য করেছেন।’

হামলার পর পাওয়া নিরাপত্তার কথা তুলে ধরে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই বাংলাদেশ সরকারের কাছে, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে। ঘটনার দিন রাতেই সরকারি দপ্তর থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।’

ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের অ্যাম্বাসেডর ভাইয়া প্রচণ্ড সাপোর্টিভ ছিলেন। ইতালি সরকার, ওখানকার কালচারাল মিনিস্টার, আন্ডার সেক্রেটারি এবং পুলিশ ডিপার্টমেন্ট প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা প্রোটেকশন দিয়েছে।’

নিরাপত্তার কারণে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক তাকে লিডোতে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।

দেশে ফিরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে পাওয়া সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ্‌, আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। দেশের মানুষ, রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে বিরোধী ও সরকারি দলের নেতাকর্মী এবং প্রবাসী বাঙালিরা যে সাপোর্ট দিয়েছেন, তা আমি কখনো ভুলতে পারব না।’

যারা গরমের মধ্যে তাকে স্বাগত জানাতে অপেক্ষা করেছেন, তাদেরও ধন্যবাদ জানান অভিনেত্রী।

এর আগে বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদেও আলোচনা হয়। সেখানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাঁধনের ওপর হামলাকে ‘গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেন।

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।