etcnews
ঢাকাSunday , 23 August 2026
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি
box ad 6
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় প্রথমে শিক্ষককে, পরে বাকি ৩ জনকে হত্যা: পুলিশ

etcnews
August 23, 2026 4:02 pm
Link Copied!

বাড়ির ছাদে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীকে প্রথমে হত্যা করা হয় বলে দাবি করেছে পুলিশ। এরপর ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও দুই সন্তানকেও হত্যা করা হয়। তবে এরইমধ্যে অভিযুক্ত মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে মাদক সেবন করছিল দুই যুবক। এ ঘটনায় বাধা দেওয়ায় প্রথমে শিক্ষককে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। বিষয়টি যেন জানাজানি না হয় এবং হত্যাকারীদের যাতে কেউ শনাক্ত করতে না পারে। সেজন্য বাড়ির অন্যদেরও খুন করে অপরাধীরা।

হত্যার বর্ণনায় পুলিশ যা জানালেন

পুলিশ কমিশনার বলেন, গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যার সময় তিনি বাঁচার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন। এ সময় শব্দ শুনে তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ওপরে আসার চেষ্টা করেন। সিঁড়িতে আসার পর দুই খুনি গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে। পরে স্ত্রীর চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে তাদের ২৫ বছর বয়সী মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী এগিয়ে এলে তাকেও গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়।

খুনিদের জবানবন্দি অনুযায়ী, প্রার্থী চক্রবর্তীর মৃত্যু হতে চার থেকে পাঁচ মিনিট সময় লাগে। এ সময় তারা রশি দিয়ে তার গলা ও মুখ শক্ত করে পেঁচিয়ে ধরে। এতে তার চোয়াল ভেঙে যায় এবং চোখ বের হয়ে আসে। পরে খুনিরা নিচতলায় যায়। সেখানে রংপুর জেলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র প্রিয়মকে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে ও বালিশ চাপা দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এমনকি হত্যাকাণ্ডের পর সকাল হয়ে গেলে খুনিরা ওই বাসাতেই গোসল করে। প্রথমে সিদ্ধার্থ গোসল করে বের হওয়ার পর মুগ্ধ গোসল করে। গোসল শেষে তারা ডাইনিং টেবিলে বসে একটি বয়ামে থাকা খেজুর খায়। এরপর তাদের কাছে থাকা এক পিস ইয়াবা সেখানেই সেবন করে। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা সেবনের আলামতও পাওয়া গেছে বলে জানান পুলিশ কমিশনার।

এদিকে, নিহতদের পরিবার জানায়, শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী কিংবা তার পরিবারের কারও সঙ্গে কোনো বিরোধ ছিল না। নিহত প্রীতিলতার বোন পূজা জানান, পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে রাতেই স্বামীকে নিয়ে ওই বাড়িতে যান তিনি। সেখানে প্রধান ফটক তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে পাশের বাসার ভেতর দিয়ে বাড়িতে ঢুকে দেখেন, ঘরের সবকিছু এলোমেলো। বিষয়টি জানানো হয় পুলিশকে।

পরে বাড়ির বিভিন্ন স্থান থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং তাদের দুই সন্তান—আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী ও প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মেয়ে প্রার্থি চক্রবর্তী মাস্টার্স পাস ছিলেন। আর ছেলে প্রিয়ম রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।