etcnews
ঢাকাSaturday , 31 January 2026
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি
box ad 6
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভারতে কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের প্রস্তাব

etcnews
January 31, 2026 11:08 am
Link Copied!

ভারতে কিশোর-কিশোরীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জোটসঙ্গী তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) এক সংসদ সদস্য এ বিষয়ে একটি বিল উত্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন। বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব নিয়ে যখন বিতর্ক জোরালো হচ্ছে, তখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যবহারকারী বাজারগুলোর একটি ভারতে এই প্রস্তাব নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

টিডিপির সংসদ সদস্য এলএসকে দেবারায়ালু শুক্রবার রয়টার্সকে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্ত হয়ে পড়ছে দেশের শিশুরা। একই সঙ্গে ভারত বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য বিপুল পরিমাণ তথ্যের উৎসে পরিণত হয়েছে। তার অভিযোগ, এই তথ্য ব্যবহার করে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে, কিন্তু এর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা পাচ্ছে অন্য দেশগুলো।দেবারায়ালুর প্রস্তাবিত ১৫ পৃষ্ঠার ‘সোশ্যাল মিডিয়া (এজ রেস্ট্রিকশনস অ্যান্ড অনলাইন সেফটি) বিল’-এ বলা হয়েছে, ১৬ বছরের কম বয়সী কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে, রাখতে বা ব্যবহার করতে পারবে না। কেউ এই বিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করার কথাও বলা হয়েছে। বিলটি এখনো প্রকাশ্যে আনা হয়নি, তবে এর একটি কপি রয়টার্স দেখেছে।

এই প্রস্তাবে ব্যবহারকারীর বয়স যাচাইয়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেবারায়ালু। তিনি বলেন, বয়স যাচাইয়ের দায় ব্যবহারকারীর নয়, কোম্পানিগুলোকেই তা নিশ্চিত করতে হবে।
এর আগে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করে প্রথম দেশ হিসেবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়। ফ্রান্সের জাতীয় পরিষদও ১৫ বছরের কম বয়সীদের ওপর নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। একই বিষয়ে নীতিগত আলোচনা চলছে যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক ও গ্রিসে।

এ বিষয়ে ফেসবুকের মালিক মেটা, ইউটিউবের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট এবং এক্স কর্তৃপক্ষ মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। মেটা আগেই বলেছে, তারা অভিভাবক তত্ত্বাবধানভিত্তিক আইন সমর্থন করে, তবে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দিলে কিশোররা আরও ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিয়ন্ত্রিত প্ল্যাটফর্মে চলে যেতে পারে।

ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। বর্তমানে ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট ন্যূনতম বয়স নির্ধারিত নেই। দেশটিতে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী এবং প্রায় এক বিলিয়ন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলোর জন্য বড় বাজার।

উল্লেখ্য, দেবারায়ালুর এই বিলটি একটি প্রাইভেট মেম্বারস বিল। অর্থাৎ এটি সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আনা হয়নি। তবে এ ধরনের বিল সংসদে বিতর্ক সৃষ্টি করে ভবিষ্যৎ আইন প্রণয়নে প্রভাব ফেলতে পারে। তেলেগু দেশম পার্টি অন্ধ্র প্রদেশের ক্ষমতাসীন দল এবং মোদি সরকারের জোটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।