etcnews
ঢাকাSaturday , 27 December 2025
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি

“ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকার পরকীয়ার বলি স্বামী” শিরোনামের সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে আয়েশা খাতুন-এর দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ

etcnews
December 27, 2025 11:41 am
Link Copied!

প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি :

গত ২৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ইটিসি নিউজ এবং ইটিসি ওয়াল্ড অনলাইন পত্রিকা ও ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত “ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকার পরকীয়ার বলি স্বামী” শিরোনামের সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে গত ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষিকা আয়েশা খাতুন-এর দেয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন তার সাবেক স্বামী আবুল ফারাহ পাটোয়ারী। তিনি দাবি করেছেন, প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যমূলক, অসত্য ও মানহানিকর।

আয়েশা খাতুন প্রতিবাদে উল্লেখ করেছেন যে, ‘তিনিই আমার ক্রয়কৃত প্লটের ৯০% টাকা পরিশোধ করেছেন।’ তিনি ২০০৯ সালের জুলাই মাসে মাসিক মাত্র ৬০০০/- টাকা বেতনে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে খণ্ডকালীন চাকরি শুরু করেন। আর রায়েরবাগ বাসা থেকে কলেজে যাতায়াতের জন্য তখন খরচ হতো প্রতিদিন ৫০০-৬০০ টাকা, মাসিক হিসাবে যার পরিমাণ দাঁড়ায় ১২.৫০০-১৫০০০ টাকা। তিনি যে টাকা বেতন পেতেন কলেজে যাতায়াত ভাড়ায় তার ডাবল খরচ হতো। তাও তার দিকে তাকিয়ে পরিবারে যেন অশান্তির সৃষ্টি না হয় এজন্য আমি তাকে চাকরি করার অনুমতি দিয়েছি। অথচ আমার ক্রয়কৃত প্লটের সর্বশেষ কিস্তির টাকা পরিশোধ হয় ২৮ অক্টোবর ২০০৮ তারিখ অর্থাৎ তার ৬,০০০/- টাকা বেতনের চাকরির প্রায় এক বছর পূর্বে। আমি বোরাক পরিবহন এবং বোরাক ট্রান্সপোর্টের ফিনান্স ডাইরেক্টর থাকাকালীন আমার ক্রয়কৃত প্লটের সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করি। যার প্রমাণাদী আমার কাছে আছে। পরবর্তীতে তার কলেজের সহকর্মী ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব আব্দুল জলিল-এর সাথে আর পরকীয়া সম্পর্ক অব্যাহত না রাখার মিথ্যা ওয়াদা দিয়ে তিনি আমার সাথে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে আমার জমিটা হেবা নিয়েছেন। এ বিষয়ে একটি মামলা চলমান। তিনি প্রশ্ন তোলেন- পরকীয়া ধরা খাওয়ার পরেও কেন আমি তাকে ডিফোর্স দেইনি। বিষয়টি সত্যি, কেননা আমাদের মান-সম্মান ও দুটি সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে আমি তাকে ডিফোর্স দেইনি।

তিনি অভিযোগ করেন যে, ‘আমি তাকে প্রতিশ্রুতি দেই যে তার পড়াশোনা বন্ধ হবে না। পরবর্তীতে তিনি নিজের টিউশনের অর্থ দিয়ে পড়াশোনার খরচ চালিয়েছেন এবং আর্থিকভাবে স্বামীর দুর্বলতা নিয়ে কোনো অভিযোগ করেননি। বরং তিনি এবং তার পরিবার সবসময়ই তাকে আর্থিক ও মানসিকভাবে সহায়তা করেছেন। তার প্রেগন্যান্সির সময়সহ দীর্ঘ সময় তিনি বাবার বাড়িতে থেকেছেন এবং স্বামী তখন সম্পূর্ণভাবে তার পরিবারের উপর নির্ভরশীল ছিলেন।’ এটিও সম্পূর্ণ অসত্য। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো- আমাদের যখন বিবাহ হয় তখন সে মাত্র এইচএসসি পাস, পরবর্তীতে তার অনার্স মাস্টার্স-এর সম্পূর্ণ খরচ আমি বহন করি। শুধু তা-ই নয় তার আরও তিন বোন আমার বাসায় থেকে আমার খরচে অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করেন। এমনকি তার পিতার মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সার্টিফিকেট সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করে, যে ভুয়া সার্টিফিকেটের বদৌলতে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে সে স্থায়ী পদে চাকরির সুযোগ পায়। এই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদের মাধ্যমেই তার পিতা আমার সাবেক শ্বশুর মো. রফিকুল ইসলাম মাসে ২০,০০০/- করে ভাতা পান এবং তার ভাই আমার সাবেক শ্যালক সাইদুর রহমান কাউসার সোনালি ব্যাংক ইমামগঞ্জ শাখায় চাকরি করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ‘আমি চাপ প্রয়োগ করে তাকে বিবাহ করি।’ যা সর্বৈব অসত্য। আমাদের বিবাহের ঘটক ছিলেন তৎকালীন কমলাপুর বাজার মসজিদের ইমাম জনাব মাওলানা আমিনুল ইসলাম। তার মাধ্যমে আয়েশা খাতুন ও তার বাবার সম্মতিতে সম্পূর্ণ পারিবারিকভাবে ২০০০ সালে আমাদের বিবাহ হয়। কতটা নেক্কারজনক হলে দীর্ঘ ২৩ বৎসরের সংসারে দুটো ছেলে জন্মদানের পর অভিযোগ তুলেছেন যে আমি বলপূর্বক তাকে বিবাহ করেছি। পরকিয়া সম্পর্ক তাকে কত অধঃপতনে নামিয়েছে ভাবতেও অবাক লাগে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন- ‘আমি সন্তানদের কোনো ভরন-পোষণ দেইনি এবং আমাকে সে সাহায্য করেছে।’ এটিও আদৌ সত্য নয়। কারণ ২০১৫৷ সালে স্থায়ী চাকরি পাওয়ার আগ পর্যন্ত তার বেতন দিয়ে যাতায়াত ভাড়াই উঠত না। ২০১০-১১ সালের দিকে শেয়ার বাজারে ধ্বস নামলে আমিও কিছুটা অর্থনৈতিক সংকটে ভুগি, কিন্তু আমার সঞ্চিত অর্থ দিয়ে আমি আমার সংসারের খরচ বহনে সম্পূর্ণ সক্ষম ছিলাম এবং বহন করেছি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন- ‘তার পরিবার আমাকে আর্থিক সহযোগিতা করে।’ যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। সত্য হল তার বাবা একজন হাজাম (মুসলমানী করান), যা শুধুমাত্র শীতকালে ২/৩ মাস কাজ থাকে, বাকী নয় মাস বেকার। একজন বেকার মানুষ আমাকে কীভাবে আর্থিক সাহায্য করতে পারে তা আমার বোধগম্য নয়। ঢাকার কদমতলির রায়েরবাগ মোহাম্মদবাগ এলাকায় মদিনা মেডিকেল হল নামে তার বাবার ছোট একটি কবিরাজি ঔষধের দোকান রয়েছে, ওই এলাকায় গিয়ে খোঁজ-খবর নিলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে।

আরও উল্লেখ থাকে যে, ২০০৬ থেকে ২০১০ ইং সাল পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে ক্যাফে বাগদাদ নামে একটি রেস্টুরেন্ট আমি যৌথভাবে পরিচালনা করি। এছাড়া ২০০৩ ইং সাল থেকে আমি চারটা মিনিবাসের মালিক ছিলাম, যা আমি উত্তরা ফাইন্যান্স ও নাভানা মোটর্স থেকে ক্রয় করি। যার প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। এ ছাড়া মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডে মোহাম্মাদিয়া মসজিদের পাশে অবস্থিত হুমায়ুন জেনারেল স্টোরেও আমার ৩৪% শেয়ার ছিল। অথচ আমার প্রাক্তন স্ত্রী আমাকে ঐ সময় বেকার ছিলাম বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। আয়েশা খাতুন যখন চাকরিতে যোগদান করে, মহান আল্লাহ তখন আমাকে অনেক ভালো অবস্থায় রাখেন। এবং আমি তাকে সর্বোচ্চ ভালো রাখি। তাই তার প্রতিবাদের ভাষা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি তার অপরাধ ও সত্যকে গোপন করার জন্য এরকম অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন। আমি এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।