etcnews
ঢাকাFriday , 5 December 2025
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি

রেসিডেনসিয়াল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকার পরকীয়ার বলি স্বামী’ শিরোনামের সংবাদ প্রকাশে প্রতিবাদ”

etcnews
December 5, 2025 10:31 am
Link Copied!

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

গত ২৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ETC News এবং ETC World অনলাইন পত্রিকা ও ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত “ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকার পরকীয়ার বলি স্বামী” শিরোনামের সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন উক্ত কলেজের শিক্ষিকা আয়েশা খাতুন। তিনি দাবি করেছেন, সংবাদে তার সম্পর্কে যেসব তথ্য ও মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছে সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যমূলক, অসত্য ও মানহানিকর।
তিনি পাঠকদের উদ্দেশে ঘটনার সঠিক তথ্য তুলে ধরে জানিয়েছেন যে সংবাদে বর্ণিত মোঃ আবুল ফারাহ পাটোয়ারী তার প্রাক্তন স্বামী, যিনি ২০০০ সালে চাপ সৃষ্টি করে তাকে বিয়ে করেন এবং প্রতিশ্রুতি দেন যে তার পড়াশোনা বন্ধ হবে না। পরবর্তীতে তিনি নিজের টিউশনের অর্থ দিয়ে পড়াশোনার খরচ চালিয়েছেন এবং আর্থিকভাবে স্বামীর দুর্বলতা নিয়ে কোনো অভিযোগ করেননি। বরং তিনি এবং তার পরিবার সবসময়ই তাকে আর্থিক ও মানসিকভাবে সহায়তা করেছেন। তার প্রেগন্যান্সির সময়সহ দীর্ঘ সময় তিনি বাবার বাড়িতে থেকেছেন এবং স্বামী তখন সম্পূর্ণভাবে তার পরিবারের উপর নির্ভরশীল ছিলেন—যা তদন্ত করলেই প্রমাণিত হবে।

তিনি জানান, তার উদ্যোগ ও আর্থিক সহযোগিতায় মোঃ আবুল ফারাহ পাটোয়ারী আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের গ্রীন মডেল টাউনে আড়াই কাঠার একটি প্লট বুকিং নেন, যার কিস্তির ৯০ শতাংশ তিনি নিজেই পরিশোধ করেন। পরবর্তীতে বকেয়া সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা তার বড় খালু পরিশোধ করেন, যা তিনি ধীরে ধীরে শোধ করেন। জমির রেজিস্ট্রেশনের সমস্ত অর্থ তিনি প্রদান করলেও তার স্বামী নিজের নামে রেজিস্ট্রি করেন—যা তিনি ভবিষ্যতে সন্তানদের কথা ভেবে মেনে নেন। তিনি জানিয়েছেন, এই প্লটকে কেন্দ্র করে প্রাক্তন স্বামীর করা প্রতারণার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও প্রতিহিংসামূলক। ২০২০ সালে পারিবারিক সমঝোতার ভিত্তিতে এবং আত্মীয়স্বজন ও পাওনাদারদের হাত থেকে জমিটি রক্ষার উদ্দেশ্যে তার স্বামী বৈধ হেবা দলিলের মাধ্যমে নিজ ইচ্ছায় জমিটি তার নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। দলিলটি বহাল আছে এবং তিনি নিয়মিত কর পরিশোধ করছেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে ২০০৯ সাল থেকে তিনি ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে সততার সঙ্গে শিক্ষকতা করে আসছেন। তার বেতন ও টিউশনের অর্থেই সংসার চলে এবং দুই সন্তানের পড়ালেখার সমস্ত ব্যয় তিনি বহন করেন। অন্যদিকে তার প্রাক্তন স্বামী দীর্ঘদিন বেকার ছিলেন, ব্যবসায় লোকসানের কারণে ঋণগ্রস্ত ছিলেন এবং সংসারে তার আর্থিক অবদান ছিল না বললেই চলে। ডিভোর্সের পরেও তিনি তার সন্তানদের ভরণপোষণের কোনো অর্থ প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে চাননি। এই প্রেক্ষাপটে তাকে আর্থিক প্রতারণার মতো গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত করা একটি নিছক অপপ্রচার বলে মন্তব্য করেন।সংবাদে উল্লেখিত তার এবং তার সহকর্মীর বিরুদ্ধে “পরকীয়া” সম্পর্কিত অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও কোনো প্রমাণবিহীন। তিনি যুক্তি দেন যে তার স্বামী সামান্য বিষয় নিয়েও নানান আত্মীয়ের কাছে বিচার চাইতেন; ফলে পরকীয়া সংক্রান্ত কোনো সন্দেহ বা প্রমাণ থাকলে তিনি তাৎক্ষণিক ডিভোর্স দিতেন। বরং প্রাক্তন স্বামীই তার এক সহকর্মীর কাছে ব্যক্তিগত বিষয়ে অশালীন ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করেছেন টাকা ফেরত না দেওয়ার অপরাধ আড়াল করতে। এই ঘটনার পরই তিনি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জানান, তার নাম ও সহকর্মীদের নাম ব্যবহার করে এই ধরনের কুৎসা রটানো হীন মানসিকতার পরিচায়ক এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এই রিপোর্টের ব্যাপারে প্রতিবেদকের বক্তব্য, শুধুমাত্র আয়েশা খাতুন এর সাবেক স্বামীর বক্তব্য, মামলার কপি এবং সচিবের কাছে দেয়া অভিযোগপত্রের উপর (যা সচিব আমলে নেয়নি ) ভিত্তি করে নিউজ করা হয়েছে। যে কারনে উভয়পক্ষের বাস্তবচিত্র সংবাদে পরিলক্ষিত হয়নি বিধায় দু:খ প্রকাশ করছি।

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।