etcnews
ঢাকাSaturday , 18 October 2025
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি
box ad 6
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছাত্রদলে শুদ্ধি অভিযান, বহিষ্কারে অস্থিরতা

etcnews
October 18, 2025 6:20 am
Link Copied!

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে পরাজয়ের পর শাখা ছাত্রদলে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ব্যর্থতার সুলুক সন্ধানে শুদ্ধি অভিযান চলছে। ইতোমধ্যে পাঁচ নেতা বহিষ্কার হয়েছেন। সংগঠনের সিদ্ধান্তের বাইরে কেন একাংশ আরেকটি প্যানেল দিয়েছিল, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা তা জানার চেষ্টা করছেন। তারা বলছেন, ছাত্রদল চবিতে শিগগির শক্ত ভিত পাবে। 

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন বলেছেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা দীর্ঘদিন সাংগঠনিক কাঠামো দিতে পারিনি। নির্বাচনে পরাজয়ের ক্ষেত্রে এটি বড় ভূমিকা রেখেছে। সংগঠনে শৃঙ্খলা ফেরাতে কার্যক্রম চলছে। শিগগির এটি দৃশ্যমান হবে। তবে তিনি মনে করেন, কিছু সীমাবদ্ধতা ও ত্রুটি-বিচ্যুতি সত্ত্বেও সার্বিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ ছিল বলে ছাত্রদল অংশ নিয়েছে।
ছাত্রদলের স্থানীয় নেতারা জানান, চাকসু নির্বাচনে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ও বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত নেতাকর্মীদের রেখে ছাত্রদল প্যানেল ঘোষণা করে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে প্রার্থিতা নিয়ে নেতাদের ইন্ধনে অনুসারীরা কোন্দলে জড়ান।

এক পর্যায়ে আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা ছাত্রদলের ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে ‘সার্বজনীন ছাত্র ঐক্য পরিষদ’ নামে প্যানেল ঘোষণা করে। তারা ২৬ পদের বিপরীতে ১৩টিতে প্রার্থী দেয়। ভিপি প্রার্থী হয়েছিলেন সাঈদ মো. রেদোয়ান, এজিএস আবদুল্লাহ আল মামুন ও দপ্তর সম্পাদক প্রার্থী হন সাখাওয়াত হোসেন সালমান। শেষ মুহূর্তে সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রদলের প্যানেলকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ান ভিপি ও দপ্তর সম্পাদক প্রার্থী। নড়বড়ে ছাত্রদলের ভোটে এ বিভক্তি বড় প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন নেতারা।

অন্তর্কোন্দল ও বিভক্তির জেরে নির্বাচনের তিন দিন আগে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মামুনুর রশিদ মামুনকে বহিষ্কার করা হয়। ভোটের এক দিন পর প্রাথমিক সদস্য পদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে শাখা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি নিউটন দত্ত, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নকিব হোসেন চৌধুরী, আবু শাহদাত মোহাম্মদ আদিল ও ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুনকে।
এ নিয়ে ছাত্রদলে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নকিব হোসেন চৌধুরী বলেন, যারা বিজয়ী হতে পারতেন, তাদের প্রার্থী করা হয়নি। ফলে নির্বাচনে আরেকটি প্যানেল থেকে নির্বাচন করা নেতাকর্মীদের পক্ষে ছিলাম। এ কারণে হয়তো বহিষ্কার করা হয়েছে।

সার্বজনীন ছাত্র ঐক্য পরিষদ থেকে যুগ্ম এজিএস পদে নির্বাচন করেছেন সদ্য বহিষ্কৃত আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, ভোটে জেতার মতো যোগ্যতা থাকলেও আমাকে মূল্যায়ন করা হয়নি। নিজেকে প্রমাণের জন্য সংগঠনের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করেছি। বহিষ্কার নিয়ে সংগঠনের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাই। তবে দল প্রয়োজন অনুভব করলে, ডাক দিলে সাড়া দেব।
নির্বাচনে ২৬ পদের মধ্যে ভিপি, জিএসসহ ২৪ পদেই জয়লাভ করে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে একমাত্র এজিএস পদে জয়ী হয়েছেন আইয়ুবুর রহমান তৌফিক। এ ছাড়া ক্রীড়া সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তামান্না মাহবুব।

ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভূমিধস পরাজয়ের পর নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠন। এরই অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। নাসিরের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ ও মাসুম বিল্লাহ। কেন্দ্রীয় নেতারা সংগঠন গোছানোর বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। তারা শিগগির বিশ্ববিদ্যালয়ে সুসংগঠিত ছাত্রদল দেখা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।