বিমানবন্দর গোল চত্বরের পূর্ব পাশে বাবুস সালাম মসজিদ মাদ্রাসা কমপ্লেক্স মার্কেট দখল নিতে গতকাল রাতে ৫০-৬০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা চালায়। পরে মার্কেটের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয় ।
বাবুস সালাম মসজিদ মার্কেট দখল নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে চারজন আহত হন বলে জানা যায়। দীর্ঘদিন যাবৎ এই মার্কেটটি নিয়ে চলছে দখল ও বে-দখলের খেলা। মার্কেটটি নিয়ত্রণে নিতে দুটি পক্ষ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। জানা যায়, ২০০২ইং সালে সৈয়দ মোস্তাক হোসেন রতন মসজিদ কমিটির মোতাওয়াল্লি নিযুক্ত হন।
মসজিদ মার্কেটের অধিকাংশ দোকান নিজ আত্মীয়স্বজনের কাছে ভাড়া দেন। ভাড়াটিয়ারা আবার বড় অঙ্কের অ্যাডভান্স নিয়ে বেশি অঙ্কের মাসিক ভাড়ায় অন্যের কাছে ভাড়া দেন। ২০০৮ সালে তাকে মোতাওয়াল্লি থেকে বাদ দিয়ে নতুন কমিটি করা হয়। পরবর্তীতে হাই কোর্টে মামলা করলে মহামান্য আদালত বাবুস সালাম মাদ্রাসা ও মসজিদ মার্কেটি দেখাশোনার জন্য ওয়াকফ প্রশাসনকে দায়িত্ব দেয়।
ওয়াকফ প্রশাসন কর্তৃপক্ষ ভাড়াটিয়া দোকানদারদের কাগজপত্র ও ভাড়ার প্রমাণাদি চাইলে সৈয়দ মোস্তাক হোসেন রতনের কিছু লোক বাধা সৃষ্টি করে। এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে বিষয়টি শান্ত হয়। পরে ওয়াকফ প্রশাসনের সহকারী প্রশাসক মো. আব্দুল কুদ্দুসের কাছে ভাড়াটিয়ারা দোকানের কাগজপত্র জমা দেন। সহকারী প্রশাসক জানান দীর্ঘদিন যাবৎ মসজিদ মার্কেটটি নিয়ে ঝামেলা ছিল। মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে আমাদের দেখাশোনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাই আমরা মার্কেটটিকে শৃঙ্খলায় আনার চেষ্টা করছি।
মার্কেট কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলুল হক নান্নু জানান সৈয়দ মোস্তাক হোসেন রতন দীর্ঘদিন যাবৎ টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করে আসছেন। তিনি মসজিদ ফান্ডে মাত্র তিন লাখ টাকা জমা করতেন অথচ ভাড়া উঠে ১০ লাখ টাকার মতো। বাকি টাকা নিজে আত্মসাৎ করতেন। আমরা মসজিদ ও মাদ্রাসার টাকা আত্মসাৎ করতে চাই না। তাই মসজিদে প্রকৃত আয় মসজিদ ও মাদ্রাসার ফান্ডে থাকুক আমরা সেটা চাই।