etcnews
ঢাকাSunday , 1 November 2026
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাকিস্তানে কোণঠাসা সাংবাদিকরা, বাড়ছে আইনি হয়রানি ও রাষ্ট্রীয় চাপ

etcnews
November 1, 2026 3:29 pm
Link Copied!

পাকিস্তানে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। হুমকি, শারীরিক হামলার পাশাপাশি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি হয়রানি ও রাষ্ট্রীয় চাপ বাড়ছে। গত বছর নথিভুক্ত সহিংসতার ঘটনা কিছুটা কমলেও সাংবাদিকদের নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। ইসলামাবাদভিত্তিক গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ সংস্থা ফ্রিডম নেটওয়ার্কের এক নতুন প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘সহিংসতা থেকে আইনি হয়রানি: সাংবাদিকদের শাস্তি দিতে আইনি প্রক্রিয়ার ব্যবহার’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ২০২৬ সালের দায়মুক্তি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। এতে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১০টি ঘটনা ঘটেছে, যেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন।ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া সাপোর্টের (আইএমএস) কারিগরি সহায়তায় প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এর লেখক সাংবাদিক আদনান রেহমত এবং ফ্রিডম নেটওয়ার্কের নির্বাহী পরিচালক ইকবাল খট্টক। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের দায়মুক্তি অবসানের আন্তর্জাতিক দিবস ২ নভেম্বর সামনে রেখে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে একজন সাংবাদিক নিহত হওয়ার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া হত্যাচেষ্টার ৩টি, সহিংসতার হুমকির ১৮টি, শারীরিক হামলার ১১টি, আইনি কার্যক্রম শুরুর ১৩টি এবং আইনি পদক্ষেপের হুমকির ৩২টি ঘটনা পাওয়া গেছে।নথিভুক্ত মোট ঘটনার মধ্যে ৪৯টি ঘটেছে পাঞ্জাবে, যা মোট ঘটনার অর্ধেকেরও বেশি। এরপর রয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়া, ইসলামাবাদ ও বেলুচিস্তান। ডিজিটাল মাধ্যম ও স্বাধীনভাবে কাজ করা সাংবাদিকেরা বিশেষভাবে ঝুঁকির মুখে রয়েছেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের অভিযোগ, এসব ঘটনার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের পেছনে সরকারি কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের ভূমিকা রয়েছে।

প্রতিবেদনে পাকিস্তানের বিতর্কিত ‘প্রিভেনশন অব ইলেকট্রনিক ক্রাইমস অ্যাক্ট’ (পেকা) সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের বিষয়টিকে বিশেষ উদ্বেগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সাইবার অপরাধ তদন্ত সংস্থার (এনসিসিআইএ) বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধসংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়াকে সমালোচনামূলক সংবাদ প্রকাশকারী সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করা এবং ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ উঠছে।

দুর্নীতি, সরকারি ব্যয় এবং কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশকারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানি, ভুল তথ্য প্রচার, হয়রানি ও সুনাম ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে প্রায়ই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফ্রিডম নেটওয়ার্কের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, নথিভুক্ত সহিংসতার ঘটনা কমে এলেও আইনি হয়রানি ও রাষ্ট্রীয় চাপের নতুন ধরন সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশকে আরও সংকুচিত করছে।

সূত্র : ডন

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।