etcnews
ঢাকাTuesday , 29 September 2026
  1. অনিয়ম
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. উন্নয়ন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. জাতীয়
  9. নির্বাচন
  10. প্রতিবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার, অক্টোবরেই চুক্তি স্বাক্ষর: বিমানমন্ত্রী

etcnews
September 29, 2026 4:53 pm
Link Copied!

দেশের বিমান পরিবহন খাতকে আরও শক্তিশালী করতে ১০টি এয়ারবাস কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। অক্টোবর মাসেই এয়ারবাস কেনার চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের সঙ্গে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘যে প্রশ্নটা আমাকে প্রথমে করেছেন আর কি যে, আমরা আমেরিকায় ১১টি বোয়িং চুক্তি স্বাক্ষর করেছি এবং এ নিয়ে মোট চুক্তি স্বাক্ষর হলো ২৫টি। আমরা এর আগেও আপনারা জানেন যে, ১৪টি বোয়িংয়ের চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলাম। মোট বোয়িংয়ের স্বাক্ষরকৃত সংখ্যা দাঁড়ালো ২৫টি। এখানে ওয়াইড বডি আছে ১৫টি এবং ন্যারো বডি হলো ১১টি।’

তিনি বলেন, ‘এখন একটা বিষয় আপনাদের মাথায় কাজ করে যে, আচ্ছা এতগুলো বোয়িং আমরা এই মুহূর্তে কেন কিনলাম এবং আমাদেরকে এই মুহূর্তে কেনার সামর্থ্য আছে কিনা? আপনারা একটু জানা দরকার, এটা আমাদের অবশ্য এভাবে জানানো হয়নি, এজন্য হয়তো আপনারা জানেন না। দেখেন এখন আমরা এগুলো চুক্তি স্বাক্ষর করা মানেই যে, এখনই নেওয়া তা কিন্তু না।’মন্ত্রী বলেন, ‘এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে প্রথম এয়ারক্রাফটটি আসবে চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম এয়ারক্রাফট আসবে আমাদের ২০৩১ সালে। যদিও আমরা এবারে অনুরোধ করেছি আমাদের অনুষ্ঠানে (চুক্তি স্বাক্ষর) ওখানে কমার্স সেক্রেটারি ছিলেন, আরও তিনজন মন্ত্রী ছিলেন। তাদেরকে আমরা অনুরোধ করেছি অন্তত একটা হলেও আমাদেরকে ২৭ বা ২৮ সালে দেন। মানে অনুরোধ করেন বোয়িংকে যাতে করে একটা দেয় আর কি। তারপরে এই ২৫টি আসতেও কিন্তু আমাদের ৩৫-৩৬ সাল পর্যন্ত লাগবে, মানে ১১-১২ বছর লাগবে।’বোয়িংয়ের উড়োজাহাজগুলোর মূল্য পরিশোধের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অর্থাৎ আমাদের একটা দুইটা করে যখনই যখনই আসবে ৩১’ (২০৩১ সাল) থেকে তখন আমরা এটা যে উড্ডয়ন করব। এখন আপাতত আমাদের কোনো টাকা দেওয়া লাগছে না। আমরা গ্যারান্টি দিচ্ছি, একটা করে দেবে তারপরে আমরা টাকা দেব। সেই টাকাগুলি আমাদের এই ফ্লিটের আয় থেকেই আমরা দিতে পারব আশা করি।’

দেশের এভিয়েশন খাতকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মনে করি যে দেশের এভিয়েশন খাতকে শক্তিশালী করা দরকার। এভিয়েশন খাতটা এতই নাজুক আপনারা দেখেন, ইথিওপিয়ায় আমাদের চেয়ে জিডিপির হার অনেক কম; কিন্তু তাদের এয়ারলাইন্স কিন্তু এখন ১৬৭ ফ্লিট (উড়োজাহাজ) নিয়ে চলছে। এবং তাদের জিডিপিতে এভিয়েশন থেকে একটা বড় ধরনের তারা একটা কন্ট্রিবিউশন করতে পারে।’

‘সেই হিসাবে আমরা খুবই পিছিয়ে’—উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের ২০ কোটি লোকের দেশ। আমরা জানি যে, আমাদের এখান থেকে শ্রমবাজার অনেক ভালো। মধ্যপ্রাচ্যে যে লোকগুলো যায় আমরা আপাতত যে, আমাদের ফ্লিটটা আছে আমাদের যে এয়ারক্রাফটগুলো আছে ১৯টা, তার মধ্যে দুটো প্রায় গ্রাউন্ডেড হওয়ার মতো; তার মানে ১৭টা আপনি ধরতে পারেন। এই ১৭টিও আপনার আগামী ১০ বছরের মধ্যে এবসলিউট হয়ে যাবে। তার মানে আপনি তো প্লেন কিনতে হবে আপনার যদি ফারসাইটনেস না থাকে তাহলে আপনি দেশকে আগাবেন কি করে?’

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি মন্ত্রী হিসেবে মনে করি যে আমরা আগামী ২০, ২৫ অথবা ৩০ বছর পরে কীভাবে আমাদের এভিয়েশন খাতটা যাবে সেই চিন্তাভাবনা করে এই (চুক্তি) স্বাক্ষরগুলো করা হচ্ছে।’

এয়ারবাস কেনার চুক্তি হলে বিমানের বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা আরও বাড়বে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এয়ারবাস আমরা ১০টা নিতে চাই; মিক্স ফ্লিট করতে চাই। ১০টা এয়ারবাস যদি আমরা এই মাসেই আমরা স্বাক্ষর করি তাহলে আমাদের দাঁড়াবে ৩৫টি নতুন কেনা এবং ১৭টি আমাদের এলাইভ (চলছে) যেটা আছে দশ বছর থাকবে; তাতে করে আমরা প্রায় ৫০টির বেশি এয়ারক্রাফট আমাদের থাকবে বলে আমরা আশা করছি। সেগুলো আস্তে আস্তে আমরা ২০৩৬, ৩৭ এমনকি ৪০ সন পর্যন্ত হতে পারে।’

নতুন উড়োজাহাজ আসার আগ পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বাড়াতে লিজে উড়োজাহাজ নেওয়ার উদ্যোগের কথাও জানান বিমানমন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তাহলে আপনারা কোশ্চেন করতে পারেন যে, আপনারা তাহলে এখন চলবেন কি করে? এখন যে আপনাদের এয়ারপোর্টগুলো বাড়াচ্ছেন, নতুন থার্ড টার্মিনাল ওপেন করছেন?’

আমাদের বেশিরভাগ যাত্রী বিদেশি এয়ারক্রাফটগুলো বহন করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ন্যাশনাল ক্যারিয়ার হিসেবে নিজেদেরকে ২০ শতাংশ মাত্র আমাদের নিজস্ব যে লোকদের দিয়ে আমরা বহন করতে পারছি। আমাদের ফ্লাই ফ্লিট বাড়ানোর জন্য আমরা চিন্তা করছি ইতিমধ্যে যতক্ষণ পর্যন্ত নতুন প্লেন না আসে, আমরা অন্তপক্ষে ১০টি প্লেন ১০টি এয়ারক্রাফট আমরা লিজে নিব এবং লিজের জন্য প্রক্রিয়াধীন আছি।’

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।