পবিপ্রবি প্রতিনিধি :
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডীন এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. হাছান উদ্দীন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।
বর্তমানে ড. মো. হাছান উদ্দীন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অনুষদের ডীন এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা, গবেষণা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং একাডেমিক নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
এছাড়াও করপোরেট ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, ব্যবসায় প্রশাসন, টেকসই অর্থায়ন এবং উন্নয়ন অর্থনীতি বিষয়ে তাঁর ৫০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ দেশি-বিদেশি স্বীকৃত জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। গবেষণা ও নীতিনির্ধারণের সংযোগ স্থাপনেও তাঁর কাজ প্রশংসিত।
শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইউট্যাব প্রতিষ্ঠার পূর্বেও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক-পরিমণ্ডলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইউট্যাব-এর পবিপ্রবি শাখার প্রতিনিধিত্ব করে তিনি ফেনী-১ আসনের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া তিনি বর্তমানে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং আমরাবিএনপি -এর ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নিজ জেলা ফেনীতে বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর সক্রিয় ভূমিকার কথা স্থানীয়ভাবে আলোচিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণের প্রতিক্রিয়ায় ড. মো. হাছান উদ্দীন, প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং তাঁর প্রতি আস্থা রাখা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “এই দায়িত্ব আমার জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি একটি বড় দায়িত্বও। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দক্ষ আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আমি দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব। শিক্ষা, গবেষণা ও সুশাসনের সমন্বয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।”

