যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (এফবিআই) সম্প্রতি যে তদন্তসংক্রান্ত নথি প্রকাশ করেছে, তাতে কুখ্যাত অর্থকুবের জেফরি এপস্টেইনের যৌন নির্যাতন চক্রের ভেতরের চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নথিগুলোতে উঠে এসেছে, কীভাবে তিনি ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের খুঁজে আনতেন এবং বাছাই করতেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, এই নথিগুলো প্রকাশ করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে শুরু হওয়া বিচার বিভাগের একটি দীর্ঘসূত্রিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে। তবে ব্যাপক সম্পাদনা ও তথ্য গোপন রাখার কারণে প্রকাশনাটি সমালোচনারও মুখে পড়েছে।
প্রকাশিত নথির মধ্যে একটি বিশেষ নথি—ইএফটিএ–০০০০৪১৭৯—গুরুত্ব পাচ্ছে। এতে রয়েছে এফবিআইয়ের একটি প্রমাণসংক্রান্ত কভার শিট এবং ১৩ পৃষ্ঠার হাতে লেখা তদন্ত নোট। নোটগুলো ২০১৯ সালের ২ মে নেওয়া এক সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি, যদিও সাক্ষীর পরিচয় ও কিছু অংশ গোপন রাখা হয়েছে।
এই নথিতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তরুণী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের সংগ্রহ ছিল একটি সংগঠিত প্রক্রিয়া। সেখানে ‘ম্যাসাজ’-এর আড়ালে যৌন নির্যাতনের কথা উল্লেখ আছে, পাশাপাশি বয়স, শারীরিক গঠন ও গায়ের রং নিয়ে এপস্টেইনের নির্দিষ্ট পছন্দের কথাও উঠে এসেছে। নথিতে এপস্টেইনকে ‘জেই’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে।

