পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা আজ বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার সুযোগ পেয়েছি। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ২২ দিনের মাথায়ই তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাওলাগঞ্জ বাজার অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, সবাইকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ ফ্যামিলি কার্ডকে একটি সর্বজনীন কার্ড হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ফলে দেশের প্রতিটি পরিবারই ধাপে ধাপে এ কার্ডের আওতায় আসবে। তবে প্রথম পর্যায়ে যাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তাদের দিয়েই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড নির্ধারণ করা হচ্ছে। সরকার পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রকল্প হিসেবে) এ কর্মসূচি শুরু করেছে এবং পর্যায়ক্রমে এটি সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সরকারের একটি বৃহৎ সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগ, যা দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. খালেদ হোসেন মাহমুদ (শ্যামল), পুলিশ সুপার শাহ্ মো. আব্দুর রউফ, সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন জিয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রবিউল হাসান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশ এবং সাধারণ সম্পাদক ভিপি একেএম মুসা।
উল্লেখ্য, বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রথম ধাপে সারাদেশের ১৩টি জেলা, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এ কার্ডের আওতায় আনা হবে।
এরই অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আছাদনগর গ্রাম ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে নির্বাচিত হয়েছে।

