আত্মহত্যা করেছেন নাট্যকর্মী মুনিরা মাহজাবিন মিমো। তথ্যটি বাংলাট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার ও পারফর্মেন্স বিভাগের শিক্ষক আশিক রেহমান লিওন। মিমো একই বিভাগের মাস্টার্স ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থী ছিলেন। জানা যায়, রবিবার সকালে দরজা ভেঙে মিমোর ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে তার পরিবার। এ সময় তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মৃত্যুর আগে ডায়েরি ও হোয়াটসঅ্যাপে সুইসাইড নোট লিখে গিয়েছিলেন মিমো। সেখানে তার সহপাঠি উম্মে হানিকে উদ্দেশ্য করে লেখা ছিল- “তুই আর সুদীপ স্যার ভালো থাকিস।”জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার ও পারফর্মেন্স বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ও নাট্য নির্দেশক সুদীপ চক্রবর্তীকে উদ্দেশ্য করে সুইসাইড নোটটি লিখেন মিমো। মিমোর সুইসাইডের খবর পেয়ে তার বিভাগের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ ছুটে যান তার বাসায়। সেখানে গিয়ে তাকে বিছানায় শায়িত অবস্থায় দেখতে পান বলে বাংলাট্রিবিউনকে জানিয়েছেন শিক্ষক আশিক রহমান লিওন।তিনি বলেন, “সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ আমরা যখন জানতে পারি তখনই ছুটে যাই তার বাসায়। গিয়ে দেখি তাকে বিছানায় শুইয়ে রাখা হয়েছে। তার বাবা জানান, কখনো দরজা বন্ধ করে ঘুমাতেন না মিমো। সেদিনই দরজা বন্ধ করে ঘুমিয়েছিলেন। সকালে অনেকবার ডেকেও দরজা না খোলায় দরজা ভেঙে এই অবস্থায় দেখতে পায় তার পরিবার।রিপোর্টটি লেখা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্গে মিমোর ময়না তদন্ত চলছিল। জানা যায়, সুইসাইড নোটে উল্লেখিত সুদীপ চক্রবর্তী ও উম্মে হানিকে বাড্ডা থানায় পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। বিস্তারিত আসছে.

