কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ধুলাসার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা রফিকুল ইসলাম থানায় সাধারন ডায়রী করেন। রবিবার (২৩ জুন) কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন। এর আগে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামিম আল সাইফুল সোহাগ ওই আওয়ামীলীগ নেতাকে গায়েব করে ফেলার হুমকী দিলে তার বিরুদ্ধে এ ডায়রী করা হয়।
সাধারন ডায়রীতে জানা যায়, সদ্য সমাপ্ত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব তালুকদারের ঘোড়া প্রতিকের কর্মী হয়ে কাজ করেন ধুলাসার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মো: রফিকুল ইসলাম। এতে পরাজিত হয়ে আনারস প্রতিকের প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম আল সাইফুল সোহাগ তার উপর ক্ষুদ্ধ হন। ২১ জুন শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে বাবলাতলা বাজারের নিউ সাউথ বাংলা মিষ্টান্ন ভান্ডারে নাস্তা খেতে আসলে আনারস প্রতিকের প্রার্থী ও তার কর্মীরা তাকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্ধ, এলোপাথারী চড় থাপর মারে এবং জামা কাপর ধরে টেনে হিচড়ে বোতাম ছুড়ে ফেলে। তার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা আসলে তারা চলে যায়। যাওয়ার সময় হুমকি দেয় যে, সুবিধা মত পেলে তাকে গায়েব করে ফেলবে। একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল হাজত খাটাবে।
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামিম আল সাইফুল সোহাগ বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দিন একটি ভোট কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের সাথে খারাপ আচরন করেন রফিকুল ইসলাম। ২১ জুন বাবলাতলা বাজারে দেখা হলে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি আমার সাথে খারাপ আচরন করেন। আমি তার সাথে কোন রকম খারাপ ব্যবহার করিনি। আমার বিরুদ্ধে যা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত।
কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহম্মেদ বলেন, ’আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুলের দায়েরকৃত জিডি তদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা হাতে পেলে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হবে।’