শফিকুল ইসলাম শামীম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃবরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের প্রত্যায়ন নিয়ে ভারতের মহিলা নাগরিক নতুন ভোটার করতে এসে মহিলা সহ তার স্বামী,ভাসুরসহ পুলিশের হাতে ৩ জন আটক। ৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ৪ টার দিকে আটকের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিন সাতলা গ্রামের মোঃ সালাম হাওলাদার এর পুত্র মোঃ এবায়দুল হাওলাদার (২৬) এর বিবাহিত স্ত্রী এক সন্তানের জননী ভারতের নাগরিক হালিমা খানন (২২) উজিরপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বরাবর নতুন ভোটারের জন্য আবেদন করেন।ভোটার হওয়ার আবেদন যাচাই-বাছাই করার সময় বরিশাল জেলা সিনিয়ার নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃঅহিদুজ্জামান মুন্সি ও উজিরপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রশিদ এদের কাছে সঠিক নাম ঠিকানা না বলতে পারায় সন্দেহ হলে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।পুলিশ প্রশাসন আটক করে থানায় নিয়ে যায়। অভিযুক্ত হালিমা খানম তিনি বলেন আমি ভারতের উড়িষ্যা থেকে ২ মাস আগে বাংলাদেশে এসেছি। আমার সাথে এবায়দুল হাওলাদারের সাথে বিবাহ হয়েছে।আমাদের একটি ছনিয়া খানম নামের (৫) বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। এবায়দুল হাওলাদার এর ভাষ্য মতে তিনি জানান যে আমি ভারতে কাজের জন্য ৭ বছর আগে চোরাই পথে যাই ওই সময় হালিমার সাথে আমার পরিচয় হয়। ভারতে থাকাকালীন সময় আমাদের বিবাহ হয়েছে। দুই মাস আগে আমার স্ত্রী হালিমা ও সন্তানকে নিয় ভারত থেকে চোরাই পথে বাংলাদেশের এসেছি। বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার জন্য চেয়ারম্যানের কাছ থেকে জন্ম নিবন্ধন প্রত্যায়ন ও ভোটারের অঙ্গীকারনামা নিয়ে আবেদন করেছি।আবেদনে দেখা গেছে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদার এর প্রত্যয়ন,জন্ম নিবন্ধন ও নতুন ভোটারের অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর রয়েছে।সাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদার জানান আমার কাছে আবেদন করেছে আমি আবেদনের ভিত্তিতে জন্ম নিবন্ধন, প্রত্যয়ন ও ভোটার অঙ্গীকার নামায় সাক্ষর দিয়েছি।সে যে ভারতের নাগরিক সেটা আমার জানা নেই।ভারতের নাগরিক হালিমা খানম, স্বামী এবাদুল ও ভাসুর এনামুলকে আটক করা হয়েছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।সূত্রে আরো যানা গিয়েছে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সঠিক তদন্ত করার পরে যদি প্রমাণ পাওয়া যায় তবে অনু প্রবেশের মামলা হতে পারে।