etcnews
ঢাকাThursday , 16 April 2026
  1. Politics
  2. অনিয়ম
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম
  6. উন্নয়ন
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলা
  9. জাতীয়
  10. নির্বাচন
  11. প্রতিবাদ
  12. প্রযুক্তি
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশ্ব

জিডিপি প্রবৃদ্ধি আরও কমবে, বাড়বে মূল্যস্ফীতিও

etcnews
April 16, 2026 12:40 pm
Link Copied!

ইরান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কম হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি কিছুটা পিছিয়ে পড়বে বলে মনে করছে সংস্থাটি। তাদের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ বছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার হতে পারে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে এই জিডিপি প্রবৃদ্ধি আরও কমে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ হতে পারে বলে মনে করছে আইএমএফ। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন করে আইএমএফ বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ২ শতাংশ হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের চলমান বসন্তকালীন সভা উপলক্ষে মঙ্গলবার প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ বা ‘বিশ্ব অর্থনৈতিক পূর্বাভাস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।এর আগে গত অক্টোবর মাসে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সভায় প্রকাশিত আউটলুকে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ছিল ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। ইরান যুদ্ধের কারণে সংকটে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। তাই বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে আইএমএফ।

এ ছাড়া গত অক্টোবর মাসে আইএমএফ বলেছিল, চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৭ শতাংশ হবে। এ হার ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ছিল ১০ শতাংশ। ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছে আইএমএফ।
এর আগে গত সপ্তাহে দুটি আলাদা প্রতিবেদনে বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে দিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও এডিবি। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণেই এই দুটি সংস্থা বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে।

এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক এপ্রিল সংস্করণে বলা হয়, চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ হতে পারে। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতির হার হবে ৯ শতাংশ। এর আগে এডিবির গত সেপ্টেম্বর সংস্করণে চলতি অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। এখন তা কমিয়ে দেওয়া হলো।

এদিকে গত সপ্তাহের বুধবার বিশ্বব্যাংক বলছে, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো ভুগছে। জ্বালানি সংকট প্রকট হচ্ছে। এসব কারণে প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির মতো সংস্থাগুলো। বৈশ্বিক জিডিপির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসও কমেছে: শুধু বাংলাদেশ নয়, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি পথ হারাতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে আইএমএফ।

বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস হ্রাস করেছে আইএমএফ। ২০২৬ সালের জন্য তাদের পূর্বাভাস—প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ১ শতাংশ। আগের পূর্বাভাসের তুলনায় শূন্য দশমিক ২ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস করেছে তারা। ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশে উঠতে পারে। বৈশ্বিক গড় মূল্যস্ফীতির হার উঠতে পারে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

চলতি ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবৃদ্ধি হবে ২ দশমিক ৩ এবং ২০২৭ সালে তা আরও কমে ২ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে বলে আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে।

২০২৬ সালে চীনের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৪ শতাংশ।

২০২৬ সালে ইউরো অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি হবে ১ দশমিক ১ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ১ দশমিক ২ শতাংশ।

গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর প্রবৃদ্ধিতে এগিয়ে থাকবে ভারত। চলতি ২০২৬ সালে তাদের প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০২৭ সালেও তা একই থাকবে। যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে তা হবে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ ও ১ দশমিক ৩ শতাংশ।

এই সাইটে কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।